আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
জিডিপি ও জিএনপি এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই জিডিপি বা জিএনপি শব্দ দুটি শুনি। বিশেষ করে, কোনো দেশের অর্থনীতি কেমন চলছে তা বোঝার জন্য এই দুইটি শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু জিডিপি ও জিএনপি আসলে কী? এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন জেনে নিই। জিডিপি কী? জিডিপি অর্থাৎ Gross Domestic Product বা মোট দেশজ উৎপাদন। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়কাRead more
আমরা প্রায়ই জিডিপি বা জিএনপি শব্দ দুটি শুনি। বিশেষ করে, কোনো দেশের অর্থনীতি কেমন চলছে তা বোঝার জন্য এই দুইটি শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু জিডিপি ও জিএনপি আসলে কী? এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন জেনে নিই।
জিডিপি কী?
জিডিপি অর্থাৎ Gross Domestic Product বা মোট দেশজ উৎপাদন। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়কালে কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার মোট মূল্যকে বোঝায়। সহজ করে বললে, জিডিপি হলো কোনো দেশের অর্থনীতির একটি স্ন্যাপশট।
জিএনপি কী?
জিএনপি অর্থাৎ Gross National Product বা মোট জাতীয় উৎপাদন। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়কালে কোনো দেশের নাগরিকদের দ্বারা উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার মোট মূল্যকে বোঝায়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই উৎপাদন দেশের ভিতরে হোক বা বাইরে হোক তা বিবেচনা করা হয়।
জিডিপি ও জিএনপির মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ:
ধরা যাক, বাংলাদেশের একটি কোম্পানি বিদেশে পণ্য রপ্তানি করে এবং বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা কাজ করে উপার্জন করেন। এখানে,
উপসংহার:
জিডিপি এবং জিএনপি এর মধ্যে মূল পার্থক্য হল, জিডিপি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা গণনা করে, যেখানে জিএনপি দেশের নাগরিকদের সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রম (দেশের বাইরে থেকেও) হিসাব করে। অর্থাৎ, জিডিপি আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা বুঝায়, আর জিএনপি আমাদের দেশের নাগরিকদের সকল কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে।
See lessডালিম ও বেদানার পার্থক্য কি ?
আপনি হয়তো ভাবছেন, ডালিম আর বেদানা আবার আলাদা ফল? আসলে না, ডালিম আর বেদানা একই ফলের দুটি নাম। আমরা বাংলাদেশে এই ফলটিকে বেদানা বলে থাকি, আর অন্য অনেক দেশে একে ডালিম বলে। তাহলে কেন দুটি নাম? আসলে এর পিছনে কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই, শুধু ভাষাগত কিছু পার্থক্য আছে। কেন দুটি নাম? ভৌগোলিক অঞ্চল: বিভিন্ন অঞ্চRead more
আপনি হয়তো ভাবছেন, ডালিম আর বেদানা আবার আলাদা ফল? আসলে না, ডালিম আর বেদানা একই ফলের দুটি নাম। আমরা বাংলাদেশে এই ফলটিকে বেদানা বলে থাকি, আর অন্য অনেক দেশে একে ডালিম বলে। তাহলে কেন দুটি নাম? আসলে এর পিছনে কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই, শুধু ভাষাগত কিছু পার্থক্য আছে।
কেন দুটি নাম?
ডালিম বা বেদানা কী?
ডালিম বা বেদানা একটি মিষ্টি, রসালো এবং পুষ্টিকর ফল। এর খোসার ভিতরে লাল রঙের দানা থাকে। এই ফলটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ডালিমে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস প্রচুর পরিমাণে থাকে।
ডালিম ও বেদানার মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ:
ডালিম ও বেদানা একে অপরের বিকল্প নাম, তাই আপনি যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে আপনি হয়তো “বেদানা” শব্দটি শুনে থাকবেন, কিন্তু যদি আপনি ভারত বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকান, তারা “ডালিম” শব্দটি ব্যবহার করবে। আসলে, দুটি নামের পেছনে শুধুমাত্র ভাষাগত ভিন্নতা রয়েছে, ফলটি একই।
এছাড়া, ডালিম বা বেদানা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এটি হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এবং ত্বকের জন্যও উপকারী। তবে, নাম যাই হোক না কেন, এই ফলটি সবাই উপভোগ করতে পারেন।
উপসংহার:
তাহলে, ডালিম ও বেদানা আসলে একে অপরের বিকল্প নাম। ভৌগোলিক পার্থক্য এবং ভাষাগত দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলোর আলাদা নাম হয়েছে, কিন্তু আসলে ফলটি একই। সুতরাং, আপনি যেকোনো নামেই এটি ডাকুন, ফলটি থাকবে একই রকম পুষ্টিকর ও মজাদার।
See lessথানা ও উপজেলার মধ্যে পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই থানা এবং উপজেলা শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই আমাদের দেশের প্রশাসনিক একক হলেও এদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুইটির মধ্যে কী কী পার্থক্য। থানা কী? থানা হলো একটি ছোট প্রশাসনিক এলাকা যা মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকে। থানার প্রধান কাজ হলো কোনো অপরাধ হলে তা তদন্ত করা এবং অপRead more
আমরা প্রায়ই থানা এবং উপজেলা শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই আমাদের দেশের প্রশাসনিক একক হলেও এদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুইটির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
থানা কী?
থানা হলো একটি ছোট প্রশাসনিক এলাকা যা মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকে। থানার প্রধান কাজ হলো কোনো অপরাধ হলে তা তদন্ত করা এবং অপরাধীদের ধরা। থানা সাধারণত একটি উপজেলার অংশ।
উপজেলা কী?
উপজেলা হলো একটি বড় প্রশাসনিক এলাকা যার মধ্যে একাধিক থানা থাকে। উপজেলা সরকারের বিভিন্ন সেবা যেমন স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ইত্যাদি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে। উপজেলা একটি জেলার একটি অংশ।
থানা ও উপজেলার মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
থানা:
ধরা যাক, কোনো এলাকায় চুরি হয়ে গেছে। তখন সেই এলাকা থেকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করা হয় এবং পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। পুলিশ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনে।
উপজেলা:
তবে যদি আমাদের গ্রামের এলাকায় নতুন একটি সরকারি স্কুল তৈরি করতে হয়, বা রাস্তার সংস্কার করতে হয়, সেটা করা হয় উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। এখানকার ইউএনও অফিস সেই কাজ তদারকি করেন।
উপসংহার
থানা ও উপজেলা দুটি প্রশাসনিক কাঠামো হলেও তাদের কাজ এবং ভূমিকা আলাদা। থানা মূলত নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে, যেখানে পুলিশ বাহিনী অপরাধীদের ধরার দায়িত্ব পালন করে। অন্যদিকে, উপজেলা প্রশাসন এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং সরকারি সেবা প্রদান করে।
See lessধমনী ও শিরার মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা সবাই জানি আমাদের শরীরের ভিতরে রক্ত প্রবাহিত হয়। এই রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের শরীরে রয়েছে ধমনী ও শিরা নামক দুই ধরনের নালি। আসুন জেনে নিই এই দুইটির মধ্যে কী পার্থক্য। ধমনী কী? ধমনী হলো এমন একটি নালি যা হৃদপিণ্ড থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে। ধমRead more
আমরা সবাই জানি আমাদের শরীরের ভিতরে রক্ত প্রবাহিত হয়। এই রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের শরীরে রয়েছে ধমনী ও শিরা নামক দুই ধরনের নালি। আসুন জেনে নিই এই দুইটির মধ্যে কী পার্থক্য।
ধমনী কী?
ধমনী হলো এমন একটি নালি যা হৃদপিণ্ড থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে। ধমনির দেয়াল অনেক মজবুত এবং স্থিতিস্থাপক হয়। হৃদপিণ্ড যখন ধাক্কা দেয় তখন এই ধমনীগুলো ফুলে ওঠে এবং রক্তকে শরীরের সব কোণে পৌঁছে দেয়।
শিরা কী?
শিরা হলো এমন একটি নালি যা শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনবিহীন রক্ত বহন করে। শিরার দেয়াল ধমনির তুলনায় পাতলা এবং কম স্থিতিস্থাপক হয়। শিরাগুলোতে কপাট থাকে যা রক্তকে একদিকে প্রবাহিত হতে সাহায্য করে।
ধমনি ও শিরার মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধমনী: যখন আমরা দৌড়াই, আমাদের পেশী এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তখন ধমনীর মাধ্যমে অক্সিজেন রক্ত তাদের কাছে পৌঁছায়।
শিরা: শরীরের কোষগুলি তাদের কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে দিয়ে শিরার মাধ্যমে তা হৃদপিণ্ডে ফেরত পাঠায়, যাতে নতুন অক্সিজেন যোগ করা যায়।
উপসংহার
ধমনী ও শিরা, দুটি ভিন্ন কাজ করে আমাদের শরীরে। ধমনী রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়, যখন শিরা রক্তকে ফিরে এনে হৃদপিণ্ডে পৌঁছায়। এই দুটি সঠিকভাবে কাজ করলে আমাদের দেহে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালিত হতে থাকে, যার ফলে আমাদের শরীর সুস্থ থাকে।
See lessবট ও অশ্বত্থ গাছের পার্থক্য কি ?
আমাদের দেশের গ্রামে বা শহরেই হোক, বড় বড় গাছ দেখলে আমরা প্রায়ই তাদের বটগাছ বলে থাকি। কিন্তু সব বড় গাছই কি বট? আসলে না। বট এবং অশ্বত্থ গাছ দুটি ভিন্ন প্রজাতির গাছ, যদিও দেখতে অনেকটা একই রকম। আসুন জেনে নিই এই দুই গাছের মধ্যে কী কী পার্থক্য। বট গাছ কী? বট গাছ একটি বিশাল আকারের গাছ। এটি অনেক বড় জায়Read more
আমাদের দেশের গ্রামে বা শহরেই হোক, বড় বড় গাছ দেখলে আমরা প্রায়ই তাদের বটগাছ বলে থাকি। কিন্তু সব বড় গাছই কি বট? আসলে না। বট এবং অশ্বত্থ গাছ দুটি ভিন্ন প্রজাতির গাছ, যদিও দেখতে অনেকটা একই রকম। আসুন জেনে নিই এই দুই গাছের মধ্যে কী কী পার্থক্য।
বট গাছ কী?
বট গাছ একটি বিশাল আকারের গাছ। এটি অনেক বড় জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে থাকতে পারে। বট গাছের শাখা থেকে মূল বের হয় যা মাটিতে গিয়ে গাছকে আরও শক্ত করে ধরে। এই মূলগুলোকে স্তম্ভমূল বলা হয়। বট গাছের পাতা বড় এবং হৃদয় আকৃতির হয়।
অশ্বত্থ গাছ কী?
অশ্বত্থ গাছও বট গাছের মতো একটি বিশাল আকারের গাছ। এটিও বট গাছের মতো স্তম্ভমূল বের করে। তবে অশ্বত্থ গাছের পাতা বট গাছের পাতার চেয়ে কিছুটা ছোট এবং তীক্ষ্ণ হয়। হিন্দু ধর্মে অশ্বত্থ গাছকে পবিত্র মনে করা হয়।
বট ও অশ্বত্থ গাছের মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
বট গাছ: গ্রামের বাজারের পাশে বিশাল গাছ, যার শিকড় থেকে ঝুরি নেমে নতুন নতুন অংশ তৈরি করেছে, সেটিই বট গাছ। একসময় এটিই পুরো জায়গা দখল করে নেয়।
অশ্বত্থ গাছ: কোনো মন্দির বা ধর্মীয় স্থানে একাকী লম্বা দাঁড়িয়ে থাকা গাছ, যার পাতা ত্রিকোণাকার এবং ঝুরি কম, সেটিই অশ্বত্থ গাছ।
উপসংহার
বট গাছ ও অশ্বত্থ গাছ দেখতে কিছুটা মিল থাকলেও, এদের বৈশিষ্ট্য, আকার ও ধর্মীয় গুরুত্বে অনেক পার্থক্য রয়েছে। বট গাছ বড় হয়ে বিশাল আকার ধারণ করে, আর অশ্বত্থ গাছ বেশি লম্বা হয় ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, প্রকৃতিতে এদের আলাদা আলাদা ভূমিকা রয়েছে।
See lessবাগদা ও গলদা চিংড়ির পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই বাগদা ও গলদা চিংড়ি খাই, কিন্তু কখনো ভেবেছো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে? আসলে, এই দুই চিংড়ির মধ্যে অনেক ছোট ছোট পার্থক্য আছে, যা দেখতে গেলে বোঝা যায় না, কিন্তু খেতে গেলে অনেক পার্থক্য বোঝা যায়। আজকে আমরা জানবো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কী কী পার্থক্য। বাগদা চিংড়ি কী? বাগদা চিংRead more
আমরা প্রায়ই বাগদা ও গলদা চিংড়ি খাই, কিন্তু কখনো ভেবেছো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে? আসলে, এই দুই চিংড়ির মধ্যে অনেক ছোট ছোট পার্থক্য আছে, যা দেখতে গেলে বোঝা যায় না, কিন্তু খেতে গেলে অনেক পার্থক্য বোঝা যায়। আজকে আমরা জানবো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
বাগদা চিংড়ি কী?
বাগদা চিংড়ি সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের হয়। এদের দেহ সাদা বা হালকা ধূসর রঙের হয়। বাগদা চিংড়ি মিষ্টি জল, লবণাক্ত জল এবং মিশ্র জলাশয়ে চাষ করা যায়। এরা অনেক পরিবেশে খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে।
গলদা চিংড়ি কী?
গলদা চিংড়ি বাগদার তুলনায় বড় আকারের হয়। এদের দেহ সাধারণত গাঢ় বাদামি বা কালো রঙের হয় এবং শরীরে দাগ বা স্ট্রাইপ থাকে, যা দেখতে টাইগারের দাগের মতো। গলদা চিংড়ি মূলত উষ্ণ জলাশয়ে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণত সামুদ্রিক পরিবেশে চাষ করা হয়।
বাগদা ও গলদা চিংড়ির মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
বাগদা চিংড়ি: ধরুন, আপনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গেছেন এবং স্থানীয় বাজার থেকে কিছু চিংড়ি কিনলেন। এগুলো লম্বা, চিকন ও গায়ে কালো ডোরা কাটা দাগ রয়েছে—এগুলোই বাগদা চিংড়ি।
গলদা চিংড়ি: অন্যদিকে, আপনি যদি খুলনা বা গোপালগঞ্জের কোনো মিঠা পানির ঘেরে যান, তাহলে দেখতে পাবেন কিছু বড় চিংড়ি, যেগুলোর মাথায় বড় নীলচে আঁকশি আছে—এগুলো গলদা চিংড়ি।
উপসংহার
বাগদা ও গলদা চিংড়ি দেখতে আলাদা হলেও দুটোই বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাগদা চিংড়ি বেশি রপ্তানিযোগ্য হলেও, গলদা চিংড়ির স্বাদ ও মাংসলতা বেশি। তাই, বাণিজ্যিক চাষের জন্য বাগদা চিংড়ি গুরুত্বপূর্ণ, আর খাবারের স্বাদের জন্য গলদা চিংড়ি বেশি পছন্দ করা হয়।
See lessভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যুর পার্থক্য কি ?
উদ্ভিদ শরীরের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কোষ দিয়ে গঠিত। এই কোষগুলো একত্রিত হয়ে টিস্যু গঠন করে। উদ্ভিদের টিস্যু মূলত দুই প্রকার: ভাজক টিস্যু এবং স্থায়ী টিস্যু। ভাজক টিস্যু কী? ভাজক টিস্যু হলো এমন এক ধরনের টিস্যু যার কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজিত হয়। এই বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ বড় হয় এবং নRead more
উদ্ভিদ শরীরের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কোষ দিয়ে গঠিত। এই কোষগুলো একত্রিত হয়ে টিস্যু গঠন করে। উদ্ভিদের টিস্যু মূলত দুই প্রকার: ভাজক টিস্যু এবং স্থায়ী টিস্যু।
ভাজক টিস্যু কী?
ভাজক টিস্যু হলো এমন এক ধরনের টিস্যু যার কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজিত হয়। এই বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ বড় হয় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। ভাজক টিস্যুকে উদ্ভিদের বৃদ্ধির কারখানা বলা হয়।
স্থায়ী টিস্যু কী?
স্থায়ী টিস্যু হলো এমন এক ধরনের টিস্যু যার কোষগুলো আর বিভাজিত হয় না। এই কোষগুলো বিশেষ কাজের জন্য নির্দিষ্ট হয় এবং উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন কাজ করে।
ভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যুর মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ভাজক টিস্যু: ধরুন, আপনি একটি গোলাপ গাছের চারা লাগিয়েছেন। কয়েকদিন পর লক্ষ্য করলেন, চারা দ্রুত বাড়ছে। এর কারণ হলো, শীর্ষ ও মূলের ভাজক টিস্যু ক্রমাগত বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ তৈরি করছে।
স্থায়ী টিস্যু: একবার গাছ পরিপক্ব হলে এর কাঠিন্য বৃদ্ধি পায় এবং এটি খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, গাছের কাণ্ডের কাঠের শক্ত অংশ স্থায়ী টিস্যুর কারণে গঠিত হয়।
উপসংহার
ভাজক টিস্যু এবং স্থায়ী টিস্যু উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাজক টিস্যু গাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, আর স্থায়ী টিস্যু গাছকে মজবুত ও টিকে থাকতে সাহায্য করে। এই দুই ধরনের টিস্যু না থাকলে গাছ বাঁচতে পারবে না।
See lessসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত চাকরির পার্থক্য কি?
সরকারি চাকরি ও স্বায়ত্তশাসিত চাকরির মধ্যে পার্থক্য আমরা প্রায়শই সরকারি চাকরি এবং স্বায়ত্তশাসিত চাকরি শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই চাকরির ধরন হলেও এদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুই ধরনের চাকরির মধ্যে কী কী পার্থক্য। সরকারি চাকরি কী? সরকারি চাকরি হলো সরকারের বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থায় কর্Read more
সরকারি চাকরি ও স্বায়ত্তশাসিত চাকরির মধ্যে পার্থক্য
আমরা প্রায়শই সরকারি চাকরি এবং স্বায়ত্তশাসিত চাকরি শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই চাকরির ধরন হলেও এদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুই ধরনের চাকরির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
সরকারি চাকরি কী?
সরকারি চাকরি হলো সরকারের বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থায় কর্মচারী হিসেবে কাজ করা। এই চাকরিতে কর্মচারীরা সরাসরি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে।
স্বায়ত্তশাসিত চাকরি কী?
স্বায়ত্তশাসিত চাকরি হলো সরকারের তত্ত্বাবধানে কাজ করা এমন কিছু প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বায়ত্তশাসিত বলা হয় কারণ এগুলো সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে কাজ করে। তবে সরকারের কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়।
সরকারি চাকরি ও স্বায়ত্তশাসিত চাকরির মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
সরকারি চাকরি: ধরুন, আপনি একজন BCS ক্যাডার অফিসার হয়েছেন। আপনার চাকরি, বেতন, পদোন্নতি এবং অন্যান্য সুবিধা সবকিছু সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী চলবে এবং আপনার চাকরি অত্যন্ত নিরাপদ হবে।
স্বায়ত্তশাসিত চাকরি: অন্যদিকে, আপনি যদি বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি করেন, তাহলে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যেখানে সরকারি প্রভাব থাকলেও ব্যাংক নিজস্ব নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
উপসংহার
সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত চাকরির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট। সরকারি চাকরি সরাসরি সরকারের অধীনে পরিচালিত হয় এবং অধিক নিরাপদ, যেখানে স্বায়ত্তশাসিত চাকরিতে কিছুটা স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা থাকে। তবে উভয় ধরনের চাকরির নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যক্তি তার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
See lessহেবা ও দানের মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই হেবা ও দান শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই কোনো কিছু দেওয়ার সাথে সম্পর্কিত হলেও এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য। হেবা কী? হেবা হলো কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের সম্পত্তি অন্য কাউকে দান করে দেওয়া। এই দানের বিনিময়ে কোনো প্রত্যক্ষ প্রতিদান দেওয়া হয় না।Read more
আমরা প্রায়ই হেবা ও দান শব্দ দুটি শুনি। দুইটিই কোনো কিছু দেওয়ার সাথে সম্পর্কিত হলেও এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
হেবা কী?
হেবা হলো কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের সম্পত্তি অন্য কাউকে দান করে দেওয়া। এই দানের বিনিময়ে কোনো প্রত্যক্ষ প্রতিদান দেওয়া হয় না। হেবা ইসলামিক শরীয়তে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
দান কী?
দান হলো কোনো কিছু অন্যকে দেওয়া। হেবার মতো দানেও কোনো কিছু দেওয়া হয়, তবে দানের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো প্রতিদান আশা করা যেতে পারে।
হেবা ও দানের মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরুন, আপনার দাদু আপনাকে ভালোবাসেন এবং তার একটি পুরনো ঘড়ি আপনাকে উপহার দিলেন। এটি হেবা হলো, কারণ তিনি স্বেচ্ছায় এটি আপনাকে দিয়েছেন এবং এতে কোনো বিনিময়ের আশা নেই।
অন্যদিকে, আপনার পাশের গ্রামের এক মসজিদে নতুন কার্পেট লাগানোর জন্য টাকা দরকার। আপনি যদি কিছু টাকা মসজিদের জন্য দান করেন, তাহলে এটি দান হিসেবে গণ্য হবে, কারণ এটি ধর্মীয় ও জনসেবামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে।
উপসংহার
হেবা ও দান দেখতে একই রকম মনে হলেও, এদের উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ ভিন্ন। হেবা সাধারণত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, যেখানে দান জনসেবা বা ধর্মীয় কাজে অবদান রাখার জন্য করা হয়।
See lessউকিল ও ব্যারিস্টার এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই উকিল ও ব্যারিস্টার শব্দ দুটি শুনি। দুজনেই আইনজীবী, তাহলে তাদের মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন জেনে নিই। উকিল কে? উকিল হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি আইনের বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এবং আদালতে কারো পক্ষে মামলা লড়াই করেন। বাংলাদেশে, যারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধিত এবং আদালতে মামলা লড়াই করার যোগ্যতাRead more
আমরা প্রায়ই উকিল ও ব্যারিস্টার শব্দ দুটি শুনি। দুজনেই আইনজীবী, তাহলে তাদের মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন জেনে নিই।
উকিল কে?
উকিল হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি আইনের বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এবং আদালতে কারো পক্ষে মামলা লড়াই করেন। বাংলাদেশে, যারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধিত এবং আদালতে মামলা লড়াই করার যোগ্যতা অর্জন করেছেন, তাদের আমরা উকিল বলি।
ব্যারিস্টার কে?
ব্যারিস্টার হলেন একটি বিশেষ ধরনের উকিল। সাধারণত ব্যারিস্টাররা উচ্চতর আদালতে মামলা লড়াই করেন এবং জটিল আইনি বিষয়গুলোতে বিশেষজ্ঞ হন। ব্যারিস্টার হতে হলে বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হয় এবং নির্দিষ্ট পরীক্ষা পাস করতে হয়।
উকিল ও ব্যারিস্টারের মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরুন, আপনি কোনো আইনি সমস্যা নিয়ে একজন আইনজীবীর কাছে গেলেন। যদি তিনি বাংলাদেশের বার কাউন্সিল থেকে সনদপ্রাপ্ত উকিল হন, তাহলে তিনি সরাসরি আদালতে আপনার মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
কিন্তু যদি তিনি যুক্তরাজ্য থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করা ব্যারিস্টার হন, তাহলে তিনি সাধারণত উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন এবং জটিল আইন বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।
উপসংহার
উকিল ও ব্যারিস্টার দুজনই আইনজীবী, তবে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের পরিধি এবং আইনি ক্ষেত্রে ভূমিকা আলাদা। বাংলাদেশে বেশিরভাগ আইনজীবী উকিল হলেও, ব্যারিস্টাররা সাধারণত উচ্চ আদালত ও জটিল আইনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন।
See less