আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
কীট ও পতঙ্গের পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই কীট ও পতঙ্গ শব্দ দুটি একসাথে ব্যবহার করি। কিন্তু আসলে কীট ও পতঙ্গ একই জিনিস নয়। এই দুটি শব্দের মধ্যে আছে অনেক পার্থক্য। আসুন জেনে নিই এই পার্থক্যগুলি। কীট কী? কীট হলো এক ধরনের অমেরুদন্ডী প্রাণী। এর শরীর তিনটি অংশে বিভক্ত: মাথা, বুক এবং পেট। কীটের সাধারণত ছয়টি পা থাকে। কীটের অনেক প্রজাতRead more
আমরা প্রায়ই কীট ও পতঙ্গ শব্দ দুটি একসাথে ব্যবহার করি। কিন্তু আসলে কীট ও পতঙ্গ একই জিনিস নয়। এই দুটি শব্দের মধ্যে আছে অনেক পার্থক্য। আসুন জেনে নিই এই পার্থক্যগুলি।
কীট কী?
কীট হলো এক ধরনের অমেরুদন্ডী প্রাণী। এর শরীর তিনটি অংশে বিভক্ত: মাথা, বুক এবং পেট। কীটের সাধারণত ছয়টি পা থাকে। কীটের অনেক প্রজাতি আছে, যেমন: পিঁপড়া, মৌমাছি, মাছি, মশা, ইত্যাদি।
পতঙ্গ কী?
পতঙ্গ হলো কীটেরই একটি বিশেষ ধরন। সব পতঙ্গই কীট, কিন্তু সব কীটই পতঙ্গ নয়। পতঙ্গের দুই জোড়া ডানা থাকে। পতঙ্গের উদাহরণ হিসেবে বলা যায়: প্রজাপতি, ফড়িং, মশা, মাছি ইত্যাদি।
কীট ও পতঙ্গের মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে সহজ ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে
বাংলাদেশে কীট ও পতঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- কীট: শীতকালে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় যেমন তেলাপোকা বা পিঁপড়া ফসলের জন্য সমস্যা তৈরি করে।
- পতঙ্গ: প্রজাপতি ও মৌমাছি বাংলাদেশের পরিবেশে পরাগায়নের জন্য অপরিহার্য।
See lessকুয়াশা ও শিশিরের মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই শীতকালে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি, চারপাশে সাদাটে একটা আবরণ পড়ে আছে। কখনো সেটা মাটিতে জমে থাকে, কখনো বা হালকা ধোঁয়া মনে হয়। এগুলো হলো শিশির আর কুয়াশা। কিন্তু এই দুইয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই কী কী পার্থক্য। শিশির কী? শিশির হলো ছোট ছোট জলের ফোঁটা যা শীতের রাতে ঠান্ডRead more
আমরা প্রায়ই শীতকালে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি, চারপাশে সাদাটে একটা আবরণ পড়ে আছে। কখনো সেটা মাটিতে জমে থাকে, কখনো বা হালকা ধোঁয়া মনে হয়। এগুলো হলো শিশির আর কুয়াশা। কিন্তু এই দুইয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই কী কী পার্থক্য।
শিশির কী?
শিশির হলো ছোট ছোট জলের ফোঁটা যা শীতের রাতে ঠান্ডা হয়ে গেলে গাছপালা, মাটি বা অন্য কোনো ঠান্ডা পৃষ্ঠে জমে যায়। কখনো কখনো শিশিরকে মুক্তার মতো ঝলমল করতে দেখা যায়।
কুয়াশা কী?
কুয়াশা হলো বাতাসে ভাসমান ছোট ছোট জলকণা। এটি যখন মাটির কাছে জমে থাকে তখন চারপাশ ঢাকা ঢাকা মনে হয়। কুয়াশার কারণে দূরের জিনিসগুলো স্পষ্ট দেখা যায় না।
কুয়াশা ও শিশিরের মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে সহজ ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে
বাংলাদেশে শীতকালে কুয়াশা ও শিশির খুবই সাধারণ দৃশ্য।
- কুয়াশা: গ্রামাঞ্চলে শীতের সকালে মাঠ ও রাস্তা কুয়াশায় ঢেকে যায়, যা কৃষকের কাজে সামান্য বিঘ্ন ঘটালেও পরিবেশকে সুন্দর ও স্নিগ্ধ করে তোলে।
- শিশির: শিশিরভেজা ঘাসের উপর হাঁটা বা গাছের পাতায় জমে থাকা শিশির দেখতে এক ধরনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনুভূতি দেয়।
See lessব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই শুনি "অর্থনীতি" শব্দটি। কিন্তু অর্থনীতি বলতে কী বোঝায়? আসলে অর্থনীতি শব্দটির দুটি প্রধান শাখা আছে - ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং সামষ্টিক অর্থনীতি। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য। ব্যষ্টিক অর্থনীতি কী? ব্যষ্টিক অর্থনীতি হলো অর্থনীতির সেই শাখা যেখানে আমরা ব্যক্তি, পরিবার বা কোনো একটিRead more
আমরা প্রায়ই শুনি “অর্থনীতি” শব্দটি। কিন্তু অর্থনীতি বলতে কী বোঝায়? আসলে অর্থনীতি শব্দটির দুটি প্রধান শাখা আছে – ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং সামষ্টিক অর্থনীতি। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি কী?
ব্যষ্টিক অর্থনীতি হলো অর্থনীতির সেই শাখা যেখানে আমরা ব্যক্তি, পরিবার বা কোনো একটি নির্দিষ্ট সংস্থার অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করি। যেমন, একজন ব্যক্তি কোন পণ্য কিনবে, একটি কোম্পানি কত পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করবে, ইত্যাদি।
সামষ্টিক অর্থনীতি কী?
সামষ্টিক অর্থনীতি হলো অর্থনীতির সেই শাখা যেখানে আমরা সমগ্র অর্থনীতির বিষয়ে আলোচনা করি। যেমন, একটি দেশের মোট উৎপাদন, বেকারত্বের হার, মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।
ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতির মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ব্যষ্টিক অর্থনীতি:
ধরা যাক, একজন কৃষক তার জমিতে ধান উৎপাদন করেছে। ধানের বাজারমূল্য কী হবে, তা নির্ধারণ করতে সরবরাহ ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি ব্যষ্টিক অর্থনীতির কাজ।
সামষ্টিক অর্থনীতি:
অন্যদিকে, যদি আমরা বাংলাদেশের সার্বিক কৃষি খাতের অবদান, যেমন কৃষি থেকে জিডিপি-তে যোগ হওয়া আয়ের পরিমাণ বিশ্লেষণ করি, তবে এটি সামষ্টিক অর্থনীতির বিষয়।
উপসংহার
ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। একটি অর্থনীতি সঠিকভাবে পরিচালিত হতে হলে উভয় ক্ষেত্রেই গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। ক্ষুদ্র পর্যায়ের কার্যক্রম থেকে শুরু করে বৃহৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—সবকিছুই এই দুই শাখার মাধ্যমে বোঝা যায়।
See lessঅনু ও পরমাণুর পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই "অনু" এবং "পরমাণু" শব্দ দুটি শুনি। কিন্তু এই দুটি শব্দের মধ্যে আসলে কী পার্থক্য? অনেকেই হয়তো মনে করেন এগুলো একই জিনিস, কিন্তু আসলে তা নয়। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য। পরমাণু কী? পরমাণু হলো পদার্থের সবচেয়ে ছোট একক। সবকিছুই পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণু এত ছোট যে আমরা খালিRead more
আমরা প্রায়ই “অনু” এবং “পরমাণু” শব্দ দুটি শুনি। কিন্তু এই দুটি শব্দের মধ্যে আসলে কী পার্থক্য? অনেকেই হয়তো মনে করেন এগুলো একই জিনিস, কিন্তু আসলে তা নয়। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
পরমাণু কী?
পরমাণু হলো পদার্থের সবচেয়ে ছোট একক। সবকিছুই পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণু এত ছোট যে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। একটি পরমাণুতে প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন নামে তিনটি কণা থাকে।
অনু কী?
অনু হলো দুটি বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত একটি কণা। অন্য কথায়, অনু হলো পরমাণুর সমষ্টি। উদাহরণস্বরূপ, পানির অনুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু থাকে।
পরমাণু ও অনুর মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরা যাক, একটি অক্সিজেন পরমাণু (O) একা থাকতে পারে। কিন্তু যখন দুটি অক্সিজেন পরমাণু একত্রিত হয়, তখন এটি একটি অক্সিজেন গ্যাসের অনু (O₂) তৈরি করে।
একইভাবে, দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু (H) ও একটি অক্সিজেন পরমাণু (O) একত্রিত হয়ে পানি (H₂O) তৈরি করে, যা আমাদের জীবনধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপসংহার
পরমাণু হলো পদার্থের মৌলিক একক, আর অনু হলো পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। পরমাণু ছাড়া অনু গঠন সম্ভব নয়, আর অনু ছাড়া পৃথিবীর কোনো পদার্থের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। এই পার্থক্যগুলো বুঝলে বিজ্ঞান ও রাসায়নিক গঠনের ভিত্তি স্পষ্ট হয়।
See lessঅপরাধ ও বিচ্যুতির মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই শুনি "অপরাধ" বা "বিচ্যুতি" শব্দ দুটি। কিন্তু এই দুটি শব্দের মধ্যে আসলে কী পার্থক্য? অনেকেই হয়তো মনে করেন এগুলো একই জিনিস, কিন্তু আসলে তা নয়। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য। অপরাধ কী? অপরাধ হলো এমন একটি কাজ যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ। যদি কেউ কোন আইন ভঙ্গ করে, তাহলে সে অপরাধ করRead more
আমরা প্রায়ই শুনি “অপরাধ” বা “বিচ্যুতি” শব্দ দুটি। কিন্তু এই দুটি শব্দের মধ্যে আসলে কী পার্থক্য? অনেকেই হয়তো মনে করেন এগুলো একই জিনিস, কিন্তু আসলে তা নয়। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
অপরাধ কী?
অপরাধ হলো এমন একটি কাজ যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ। যদি কেউ কোন আইন ভঙ্গ করে, তাহলে সে অপরাধ করে। অপরাধের জন্য সরকারি শাস্তি দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, চুরি করা, হত্যা করা, মিথ্যা বলা ইত্যাদি সবই অপরাধ।
বিচ্যুতি কী?
বিচ্যুতি হলো এমন একটি আচরণ যা সমাজের স্বাভাবিক আচরণের থেকে ভিন্ন। এটি আইন ভঙ্গ না করেও হতে পারে। বিচ্যুতি সবসময় নেতিবাচক হয় না। অনেক সময় বিচ্যুতি সামাজিক পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মহিলাদের শিক্ষা গ্রহণ করা একসময় বিচ্যুতি হিসেবে দেখা হতো, কিন্তু এখন এটি স্বাভাবিক।
অপরাধ ও বিচ্যুতির মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি ব্যাংকে চুরি করল। এটি একটি অপরাধ, কারণ এটি আইনের বিরুদ্ধে এবং এর জন্য শাস্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, যদি কেউ হঠাৎ রাস্তার মধ্যে অদ্ভুত নাচ শুরু করে, এটি বিচ্যুতি, কারণ এটি সামাজিকভাবে স্বাভাবিক নয়, তবে এটি আইন লঙ্ঘনও নয়।
উপসংহার
অপরাধ ও বিচ্যুতি একে অপরের থেকে আলাদা হলেও উভয়ই সমাজের আচরণগত নিয়ম ও মানদণ্ডের সাথে সম্পর্কিত। অপরাধ সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং শাস্তিযোগ্য, আর বিচ্যুতি সামাজিকভাবে অস্বাভাবিক হলেও সবসময় শাস্তিযোগ্য নয়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই সমাজের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সচেতনতা ও নিয়মের প্রয়োজন।
See lessঅস্থি ও তরুণাস্থির মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমাদের শরীরের কঙ্কাল তৈরি হয় হাড় বা অস্থি দিয়ে। কিন্তু শুধু হাড়ই তো নয়, আমাদের শরীরে আরো অনেক জায়গায় এক ধরনের নরম কিন্তু শক্ত পদার্থ আছে, যাকে আমরা তরুণাস্থি বলি। অস্থি কী? অস্থি বা হাড় হলো আমাদের শরীরের একটি কঠিন অংশ। এটি আমাদের শরীরকে আকার দেয় এবং আমাদের অঙ্গগুলোকে সুরক্ষা দেয়। হাড়ের মধRead more
আমাদের শরীরের কঙ্কাল তৈরি হয় হাড় বা অস্থি দিয়ে। কিন্তু শুধু হাড়ই তো নয়, আমাদের শরীরে আরো অনেক জায়গায় এক ধরনের নরম কিন্তু শক্ত পদার্থ আছে, যাকে আমরা তরুণাস্থি বলি।
অস্থি কী?
অস্থি বা হাড় হলো আমাদের শরীরের একটি কঠিন অংশ। এটি আমাদের শরীরকে আকার দেয় এবং আমাদের অঙ্গগুলোকে সুরক্ষা দেয়। হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড়কে শক্ত করে।
তরুণাস্থি কী?
তরুণাস্থি হলো হাড়ের চেয়ে নরম এক ধরনের পদার্থ। এটি হাড়ের মতো শক্ত নয়, কিন্তু খুব শক্তিশালী। তরুণাস্থি আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় থাকে, যেমন কান, নাক, গলা, এবং হাঁটুর জোড়ে।
অস্থি ও তরুণাস্থির মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরা যাক, আপনি একটি গাছের কাঠের শক্ত শাখাকে অস্থি হিসেবে কল্পনা করতে পারেন, যা গাছের আকার ধরে রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, গাছের পাতার ডাঁটা বা নমনীয় অংশ তরুণাস্থির মতো, যা সহজে বাঁকানো যায়।
মানুষের শরীরে হাঁটু একটি চমৎকার উদাহরণ। হাঁটুর ভেতরে থাকা তরুণাস্থি হাঁটুর দুই হাড়ের ঘর্ষণ কমায় এবং সহজে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। আবার হাঁটুর হাড়গুলো দেহের ভার বহন করে এবং শক্তি দেয়।
উপসংহার
অস্থি ও তরুণাস্থি একে অপরের পরিপূরক। অস্থি আমাদের দেহকে শক্তি এবং কাঠামো দেয়, আর তরুণাস্থি হাড়ের মধ্যে ঘর্ষণ কমিয়ে শরীরকে নমনীয় রাখে। একসঙ্গে তারা আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
See lessগ্রাম ও শহরের পার্থক্য কি ?
আমরা সবাই জানি যে আমাদের দেশে গ্রাম আর শহর দুই ধরনের জায়গা আছে। কিন্তু এই দুই জায়গার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই পার্থক্যগুলি। গ্রাম কী? গ্রাম হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ কৃষি কাজ করে এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে বাস করে। গ্রামে বাড়িগুলো সাধারণত একটু দূরে দূরে থাকে এবং চারপাশে খেত, বনRead more
আমরা সবাই জানি যে আমাদের দেশে গ্রাম আর শহর দুই ধরনের জায়গা আছে। কিন্তু এই দুই জায়গার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আসুন জেনে নিই এই পার্থক্যগুলি।
গ্রাম কী?
গ্রাম হলো এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ কৃষি কাজ করে এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে বাস করে। গ্রামে বাড়িগুলো সাধারণত একটু দূরে দূরে থাকে এবং চারপাশে খেত, বন, বাগান থাকে।
শহর কী?
শহর হলো এমন একটি জায়গা যেখানে অনেক মানুষ একসাথে বাস করে। শহরে বাড়িগুলো ঘন ঘন করে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা, কারখানা, দোকানপাট থাকে। শহরে যানবাহনের আনাগোনা বেশি হয়।
গ্রাম ও শহরের মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
ধরা যাক, বাংলাদেশের একটি গ্রামের নাম নবীনগর। এখানে কৃষকরা ধান চাষ করে, গরু-ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করেন এবং সন্ধ্যায় পরিবারের সাথে সময় কাটান।
অন্যদিকে, ঢাকা শহর একটি ব্যস্ত নগরী। এখানে মানুষ সকালে অফিসে যায়, দিনের বেশিরভাগ সময় ট্রাফিকে কাটায়, এবং রাতে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত হয়ে ঘুমায়। শহরে শিক্ষার সুযোগ বেশি, তবে বায়ু দূষণও বেশি।
উপসংহার
গ্রাম ও শহরের জীবনযাত্রার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকলেও দুটিই আমাদের সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গ্রাম আমাদের খাদ্য উৎপাদনের মূল কেন্দ্র, আর শহর আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। একে অপরের উপর নির্ভরশীল এই দুই এলাকা আমাদের জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করে।
See lessটাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস এর পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই শুনি ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে। কিন্তু ডায়াবেটিস এক ধরনের নয়, এর বিভিন্ন ধরন আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ দুটি হলো টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস। আজকে আমরা জানবো এই দুই ধরনের ডায়াবেটিসের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে। টাইপ ১ ডায়াবেটিস কী? টাইপ ১ ডায়াবেটিস এক ধরনের অটোইমিউন রোগ। অটোইমিউন মাRead more
আমরা প্রায়ই শুনি ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে। কিন্তু ডায়াবেটিস এক ধরনের নয়, এর বিভিন্ন ধরন আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ দুটি হলো টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস। আজকে আমরা জানবো এই দুই ধরনের ডায়াবেটিসের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে।
টাইপ ১ ডায়াবেটিস কী?
টাইপ ১ ডায়াবেটিস এক ধরনের অটোইমিউন রোগ। অটোইমিউন মানে হলো, শরীর নিজের কোষগুলোকে আক্রমণ করে। এই রোগে শরীরের ইনসুলিন নামক একটি হরমোন তৈরি করা বন্ধ হয়ে যায়। ইনসুলিন আমাদের খাবার থেকে শক্তি পাওয়ার জন্য গ্লুকোজকে কোষে পৌঁছে দেয়। তাই ইনসুলিন না থাকলে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস হয়।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস কী?
টাইপ ২ ডায়াবেটিস সাধারণত জীবনযাত্রার কারণে হয়। যেমন, অতিরিক্ত খাওয়া, কম শারীরিক পরিশ্রম করা, ওজন বেশি হওয়া ইত্যাদি। এই ধরনের ডায়াবেটিসে শরীর ইনসুলিন তৈরি করতে পারে, কিন্তু কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি স্পন্দের হার কমে যায়। ফলে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়।
টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ:
মনে রাখতে হবে:
- ডায়াবেটিস একটি গুরুতর রোগ।
- ডায়াবেটিসের লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
- সুস্থ জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়।
See lessদূরত্ব ও সরণের মধ্যে পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই দূরত্ব ও সরণ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। কিন্তু অনেকের কাছেই এই দুটি শব্দের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকে না। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য। দূরত্ব কী? দূরত্ব হলো কোনো বস্তু যে পথ অতিক্রম করে, তার মোট দৈর্ঘ্য। এটা যেন একটা সুতোর গোলা, তুমি যত বেশি সুতো খুলবে, দূরত্ব তত বেশি হবে। দRead more
আমরা প্রায়ই দূরত্ব ও সরণ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। কিন্তু অনেকের কাছেই এই দুটি শব্দের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকে না। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
দূরত্ব কী?
দূরত্ব হলো কোনো বস্তু যে পথ অতিক্রম করে, তার মোট দৈর্ঘ্য। এটা যেন একটা সুতোর গোলা, তুমি যত বেশি সুতো খুলবে, দূরত্ব তত বেশি হবে। দূরত্ব কখনো ঋণাত্মক হয় না।
সরণ কী?
সরণ হলো কোনো বস্তুর প্রাথমিক এবং চূড়ান্ত অবস্থানের মধ্যকার সরলরেখা দূরত্ব। এটা যেন তুমি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময় সরাসরি যে পথ পাবে, সেই পথের দৈর্ঘ্য। সরণের একটি দিক থাকে।
দূরত্ব ও সরণের মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব অভিজ্ঞতা:
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করে। তবে তাদের বাড়ি থেকে স্কুলের সরাসরি দূরত্বই সরণ হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখতে হবে:
দূরত্ব এবং সরণ দুটিই গতির পরিমাপের একক। কিন্তু দূরত্ব শুধুমাত্র পথের দৈর্ঘ্যকে নির্দেশ করে, আর সরণ শুরুর জায়গা থেকে শেষ জায়গার মধ্যকার সরলরেখা দূরত্বকে নির্দেশ করে।
See lessমৌলিক ও যৌগিক পদার্থের পার্থক্য কি কি?
আমরা প্রতিদিন যেসব জিনিস দেখি বা ব্যবহার করি, তার সবই পদার্থ দিয়ে তৈরি। এই পদার্থগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: মৌলিক পদার্থ এবং যৌগিক পদার্থ। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য। মৌলিক পদার্থ কী? মৌলিক পদার্থ হলো এমন একটি পদার্থ যাকে আরও ছোট ছোট কণায় ভাগ করলে সেই কণাগুলো আরও একই ধরনের পদRead more
আমরা প্রতিদিন যেসব জিনিস দেখি বা ব্যবহার করি, তার সবই পদার্থ দিয়ে তৈরি। এই পদার্থগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: মৌলিক পদার্থ এবং যৌগিক পদার্থ। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য।
মৌলিক পদার্থ কী?
মৌলিক পদার্থ হলো এমন একটি পদার্থ যাকে আরও ছোট ছোট কণায় ভাগ করলে সেই কণাগুলো আরও একই ধরনের পদার্থ হবে। উদাহরণস্বরূপ, সোনা, রূপা, অক্সিজেন এই সবই মৌলিক পদার্থ। তুমি যদি একটি সোনার টুকরাকে ছোট ছোট টুকরো করে ভাগ করতে থাকো, তাহলে প্রতিটি টুকরোতে সোনা ছাড়া আর কিছুই পাবে না।
যৌগিক পদার্থ কী?
যৌগিক পদার্থ হলো এমন একটি পদার্থ যাকে ছোট ছোট কণায় ভাগ করলে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পদার্থ পাওয়া যাবে। উদাহরণস্বরূপ, পানি। পানিকে যদি ভাগ করতে থাকো, তাহলে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নামে দুটি ভিন্ন মৌলিক পদার্থ পাবে।
মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব অভিজ্ঞতা:
বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে মৌলিক পদার্থ যেমন লোহা ও তামা গৃহস্থালী কাজ ও নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে, পানি এবং রান্নার লবণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য যৌগিক পদার্থ।
মনে রাখতে হবে:
আমাদের চারপাশে যেসব জিনিস দেখি, তার সবই মৌলিক বা যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি। তাই পদার্থ সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি।
See less