আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
এসি কিভাবে কাজ করে ?
এসি (এয়ার কন্ডিশনার) একটি যন্ত্র যা ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শীতল রাখে। এটি মূলত তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে কাজ করে: কম্প্রেসার, কনডেনসার, এবং ইভাপোরেটর।এটি প্রধানত একটি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করে গরম বাতাস শোষণ করে, ঠান্ডা বাতাস বের করে, এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করে। এসি কিভাবে কাজ করে: বিস্তRead more
এসি (এয়ার কন্ডিশনার) একটি যন্ত্র যা ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শীতল রাখে। এটি মূলত তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে কাজ করে: কম্প্রেসার, কনডেনসার, এবং ইভাপোরেটর।এটি প্রধানত একটি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করে গরম বাতাস শোষণ করে, ঠান্ডা বাতাস বের করে, এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করে।
এসি কিভাবে কাজ করে: বিস্তারিত ব্যাখ্যা
১. বায়ু শোষণ এবং ফিল্টার করা:
এসি প্রথমে ঘরের গরম বাতাস শোষণ করে। বাতাস শোষণ করার সময় এটি একটি ফিল্টারের মধ্য দিয়ে যায়, যা ধুলা, ময়লা এবং অন্যান্য অশুদ্ধতা পরিষ্কার করে।
২. কম্প্রেসর ব্যবহার করে শীতলকরণ প্রক্রিয়া:
৩. কনডেন্সার এবং তাপ অপসারণ:
কনডেন্সারে গরম রেফ্রিজারেন্ট ঠান্ডা হয় এবং তরলে পরিণত হয়। এই সময়ে তাপ বাহিরে চলে যায়।
৪. ইভাপোরেটর কয়েল এবং শীতল বাতাস প্রদান:
ইভাপোরেটর কয়েলে ঠান্ডা রেফ্রিজারেন্ট প্রবেশ করে এবং এতে ঘরের গরম বাতাস পাস করার সময় ঠান্ডা হয়ে যায়। শীতল বাতাস ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে।
৫. আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ:
শীতলকরণ প্রক্রিয়ার সময়, অতিরিক্ত আর্দ্রতা (Humidity) একটি ড্রেন পাইপের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
উদাহরণ:
ধরুন, আপনার ঘরের তাপমাত্রা ৩৫°C এবং আপনি এসি চালু করলেন। এসি প্রথমে ঘরের গরম বাতাস টেনে নিয়ে ফিল্টার করবে, এরপর কম্প্রেসর এবং কনডেন্সারের সাহায্যে রেফ্রিজারেন্টকে শীতল করে ঘরে ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করবে। কিছুক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমে ২৫°C হয়ে যাবে।
এসির সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. এসির উপকারিতা:
২. এসির ধরণ:
এসির বিভিন্ন অংশ:
See less
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য কি ?
আমরা প্রতিদিন অনেক কিছু ব্যবহার করি, যেমন মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্রেন ইত্যাদি। কিন্তু কখনো ভেবেছো এই সব কিভাবে তৈরি হয়? এই সবের পিছনে কী কাজ করে? আসলে, এই সব কিছুই তৈরি হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে। বিজ্ঞান কী? বিজ্ঞান হলো প্রকৃতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাRead more
আমরা প্রতিদিন অনেক কিছু ব্যবহার করি, যেমন মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্রেন ইত্যাদি। কিন্তু কখনো ভেবেছো এই সব কিভাবে তৈরি হয়? এই সবের পিছনে কী কাজ করে? আসলে, এই সব কিছুই তৈরি হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে।
বিজ্ঞান কী?
বিজ্ঞান হলো প্রকৃতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকৃতির নিয়মকানুন বের করার চেষ্টা করেন। যেমন, আইনস্টাইন গুরুত্বাকর্ষণ সম্পর্কে অনেক গবেষণা করেছিলেন।
প্রযুক্তি কী?
প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের জ্ঞানকে ব্যবহার করে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করা। বিজ্ঞানীরা যখন কোনো নতুন নিয়ম আবিষ্কার করেন, তখন ইঞ্জিনিয়াররা সেই নিয়ম ব্যবহার করে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি তৈরি করেন। যেমন, বিজ্ঞানীরা যখন বিদ্যুৎ সম্পর্কে জানতে পারলেন, তখন ইঞ্জিনিয়াররা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বাল্ব, ফ্যান ইত্যাদি তৈরি করলেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
উপসংহার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরস্পর নির্ভরশীল। বিজ্ঞান ছাড়া প্রযুক্তি তৈরি সম্ভব নয় এবং প্রযুক্তি ছাড়া বিজ্ঞান ব্যবহারিক রূপ পায় না। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে বিভিন্ন উদ্ভাবন মানুষের জীবনমান উন্নত করতে ভূমিকা রাখছে।
See lessব্যাপন ও নিঃসরণ এর পার্থক্য কি ?
আসুন, আমরা আজকে দুটি খুবই মজার বিজ্ঞানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানি। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ব্যাপন এবং নিঃসরণ। ব্যাপন কী? তোমরা কি কখনো একটা কামরায় পারফিউম স্প্রে করেছ? কিছুক্ষণ পরেই কামরার সব জায়গায় সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তাই না? এটাই হলো ব্যাপনের একটি উদাহরণ। ব্যাপন হলো কোনো পদার্থের কণাগুলোর এRead more
আসুন, আমরা আজকে দুটি খুবই মজার বিজ্ঞানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানি। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ব্যাপন এবং নিঃসরণ।
ব্যাপন কী?
তোমরা কি কখনো একটা কামরায় পারফিউম স্প্রে করেছ? কিছুক্ষণ পরেই কামরার সব জায়গায় সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তাই না? এটাই হলো ব্যাপনের একটি উদাহরণ।
ব্যাপন হলো কোনো পদার্থের কণাগুলোর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া। যেমন, এক গ্লাস পানিতে যদি কিছু শুকনো দুধের গুঁড়ো দাও, তাহলে ধীরে ধীরে গোটা পানি দুধের রঙ ধরে নেবে। এটাও ব্যাপনেরই একটি উদাহরণ।
নিঃসরণ কী?
নিঃসরণ একটু আলাদা ধরনের প্রক্রিয়া। নিঃসরণ হলো কোনো ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের অণুগুলোর বাইরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া। যেমন, একটা বেলুনে বাতাস ভরে রাখলে বেলুনের ছিদ্র দিয়ে ধীরে ধীরে বাতাস বের হয়ে যায়। এটাই হলো নিঃসরণ।
ব্যাপন ও নিঃসরণের মধ্যে পার্থক্য:
ভর ও ওজনের পার্থক্য কি ?
আমরা প্রায়ই ভর আর ওজন এই দুটি শব্দ একই অর্থে ব্যবহার করি। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, এরা দুটি আলাদা জিনিস। আজকে আমরা জানবো এই দুইয়ের মধ্যে কী কী পার্থক্য। ভর কী? ভর হল কোনো বস্তুতে কত পরিমাণ পদার্থ আছে, তার পরিমাপ। এটা যেমন তোমার শরীরে কত পরিমাণ মাংস, হাড়, রক্ত আছে তার মতো। ভর কখনোই পরিবর্তন হয়Read more
আমরা প্রায়ই ভর আর ওজন এই দুটি শব্দ একই অর্থে ব্যবহার করি। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, এরা দুটি আলাদা জিনিস। আজকে আমরা জানবো এই দুইয়ের মধ্যে কী কী পার্থক্য।
ভর কী?
ভর হল কোনো বস্তুতে কত পরিমাণ পদার্থ আছে, তার পরিমাপ। এটা যেমন তোমার শরীরে কত পরিমাণ মাংস, হাড়, রক্ত আছে তার মতো। ভর কখনোই পরিবর্তন হয় না, তুমি চাঁদে যাও, মঙ্গলে যাও বা পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় যাও, তোমার ভর একই থাকবে।
ওজন কী?
ওজন হল কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল। যেমন তুমি যখন জমিনে দাঁড়িয়ে আছ, তখন পৃথিবী তোমাকে তার দিকে টানছে। এই টানকেই আমরা ওজন বলি। ওজন পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চাঁদে তোমার ওজন পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম হবে, কারণ চাঁদের আকর্ষণ বল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম। কিন্তু তোমার ভর একই থাকবে।
ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ: ধরো, তুমি একটি আপেল নিলে। আপেলের ভর সবসময় একই থাকবে, তুমি বাড়িতে রাখো, স্কুলে নিয়ে যাও বা চাঁদে নিয়ে যাও। কিন্তু আপেলের ওজন পৃথিবীতে এবং চাঁদে ভিন্ন হবে। পৃথিবীতে আপেলের ওজন বেশি হবে, কারণ পৃথিবীর আকর্ষণ বল বেশি। কিন্তু চাঁদে আপেলের ওজন কম হবে, কারণ চাঁদের আকর্ষণ বল কম।
উদাহরণ: একজন ছাত্র একটি ফুটবল নিয়ে খেলছে। ফুটবলের ভর পৃথিবীতে এবং চাঁদে একই থাকে, যেমন ৫ কেজি। কিন্তু ফুটবলের ওজন চাঁদে কম হয়, কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম।
পৃথিবীতে মাধ্যাকর্ষণ ৯.৮m/s2 হলে ফুটবলের ওজন
চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ ১.৬m/s2 হলে ওজন W=5×1.6=৮N।
সারসংক্ষেপ: ভর হল কোনো বস্তুর মধ্যে থাকা পদার্থের পরিমাণ, যা সর্বত্র একই থাকে। আর ওজন হল পৃথিবীর আকর্ষণ বল, যা স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে: আমরা বাংলাদেশে প্রায়ই ভর আর ওজন একই অর্থে ব্যবহার করি। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, এরা দুটি আলাদা জিনিস। এই পার্থক্য জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যারা বিজ্ঞানের ছাত্র।
See lessজজ এবং ব্যারিস্টার এর পার্থক্য কি ?
আমাদের দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল জজ এবং ব্যারিস্টার। কিন্তু এই দুইজনের কাজ এক নয়। আজকে আমরা জানবো তাদের মধ্যে কী কী পার্থক্য। জজ কে? জজ হলেন আদালতে বসে মামলা-মোকদ্দমার বিচার করেন এমন একজন ব্যক্তি। তিনি আইনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত দেন। জজকে আমরা একজন রেফারRead more
আমাদের দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল জজ এবং ব্যারিস্টার। কিন্তু এই দুইজনের কাজ এক নয়। আজকে আমরা জানবো তাদের মধ্যে কী কী পার্থক্য।
জজ কে?
জজ হলেন আদালতে বসে মামলা-মোকদ্দমার বিচার করেন এমন একজন ব্যক্তি। তিনি আইনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত দেন। জজকে আমরা একজন রেফারির মতোও ভাবতে পারি, যিনি খেলার মাঠে সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে বলে এবং শেষে কে জিতেছে তা ঘোষণা করে।
ব্যারিস্টার কে?
ব্যারিস্টার হলেন আদালতে একজন মামলার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন এমন একজন আইনজীবী। তিনি তার ক্লায়েন্টের পক্ষে সবচেয়ে ভালো যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। ব্যারিস্টারকে আমরা একজন খেলোয়াড়ের মতো ভাবতে পারি, যিনি জিতার জন্য সবচেয়ে ভালোভাবে খেলার চেষ্টা করে।
জজ এবং ব্যারিস্টারের মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা খেলার মাঠে। একজন রেফারি আছে যিনি খেলায় নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করেন এবং শেষে কে জিতেছে তা ঘোষণা করেন। তিনি জজের মতো। আর দুইটি দলের খেলোয়াড়রা তাদের দলের জন্য জিতার চেষ্টা করে। তারা ব্যারিস্টারের মতো।
সারসংক্ষেপ: জজ এবং ব্যারিস্টার দুজনই আইন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জজ আদালতে নিরপেক্ষভাবে বিচার করেন এবং আইনের শাসন বজায় রাখেন। অন্যদিকে, ব্যারিস্টার তার ক্লায়েন্টের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে এবং তার স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে: বাংলাদেশের আদালতগুলোতেও এই দুই ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে জজ এবং ব্যারিস্টাররা মিলে মিশে আইনের শাসন কায়েম রাখতে কাজ করে।
See lessজাতি ও জাতীয়তার মধ্যে পার্থক্য কি ?
জাতি ও জাতীয়তা – এই দুটি শব্দ প্রায়ই আমরা একই অর্থে ব্যবহার করি, কিন্তু এদের মধ্যে সূক্ষ্ম কিছু পার্থক্য আছে। চলো, আজ আমরা এই পার্থক্যগুলো সহজ ভাষায় বোঝার চেষ্টা করি: জাতি (Ethnicity): জাতি হলো মূলত একদল মানুষের সমষ্টি, যারা একই ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস এবং জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে। তারাRead more
জাতি ও জাতীয়তা – এই দুটি শব্দ প্রায়ই আমরা একই অর্থে ব্যবহার করি, কিন্তু এদের মধ্যে সূক্ষ্ম কিছু পার্থক্য আছে। চলো, আজ আমরা এই পার্থক্যগুলো সহজ ভাষায় বোঝার চেষ্টা করি:
জাতি (Ethnicity):
জাতি হলো মূলত একদল মানুষের সমষ্টি, যারা একই ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস এবং জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে। তারা একটি shared identity বা সম্মিলিত পরিচয়ে আবদ্ধ। একটি জাতির মানুষ একই ভুখণ্ডে বসবাস করতে পারে, আবার নাও পারে। যেমন- বাঙালি একটি জাতি, যারা বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে।
জাতীয়তা (Nationality):
অন্যদিকে, জাতীয়তা হলো একটি আইনি এবং রাজনৈতিক পরিচয়। এটি একটি দেশের নাগরিক হওয়ার সূত্রে পাওয়া যায়। জাতীয়তা একটি রাষ্ট্রের সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক স্থাপন করে। একটি দেশের সরকারই ঠিক করে কারা সেই দেশের নাগরিক এবং কাদের কী কী অধিকার ও দায়িত্ব থাকবে। যেমন- একজন বাংলাদেশী নাগরিকের জাতীয়তা হলো বাংলাদেশী।
জাতি ও জাতীয়তার পার্থক্য:
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার পার্থক্য কী ?
আপনি কি রান্নাঘরে নতুন চুলা কিনতে চাচ্ছেন? ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড চুলা – এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে হয়তো আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগছে। চিন্তা করবেন না, আমরা আজকে এই দুই ধরনের চুলার মধ্যে পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝিয়ে দেব। যাতে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইন্ডাকশন চুলা কী? কল্পনRead more
আপনি কি রান্নাঘরে নতুন চুলা কিনতে চাচ্ছেন? ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড চুলা – এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে হয়তো আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগছে। চিন্তা করবেন না, আমরা আজকে এই দুই ধরনের চুলার মধ্যে পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝিয়ে দেব। যাতে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ইন্ডাকশন চুলা কী?
কল্পনা করুন, আপনি একটি চুম্বককে একটি লোহার পাত্রের কাছে আনছেন। লোহার পাত্রটি চুম্বকের দিকে আকৃষ্ট হবে, তাই না? ইন্ডাকশন চুলাও অনেকটা একইভাবে কাজ করে। এখানে চুম্বকের পরিবর্তে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ চুলাটির নিচে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি যখন লোহা বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্রের নিচে আসে, তখন পাত্রটি নিজেই গরম হয়ে ওঠে। আর এই গরম পাত্রেই আমরা খাবার রান্না করি।
ইনফ্রারেড চুলা কী?
ইনফ্রারেড চুলা একটু আলাদা। এটি সরাসরি তাপ তৈরি করে। চুলার নিচের একটি বিশেষ উপাদানকে গরম করা হয়। এই উপাদানটি থেকে তাপ তরঙ্গ বের হয়, যা সরাসরি পাত্রকে গরম করে। এটি একটু সূর্যের মতো কাজ করে। সূর্য থেকে আসা তাপ আমাদেরকে গরম করে, ঠিক তেমনি ইনফ্রারেড চুলা থেকে আসা তাপ পাত্রকে গরম করে।
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ:
উপসংহার:
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলা দুইটিই ভালো। কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা আপনার নিজের চাহিদা ও বাজেটের উপর নির্ভর করে।
See lessসাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কি?
আপনারা কি কখনো লক্ষ করেছো, বাড়ির বড়রা কথা বলার সময় অনেক সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করেন যা তোমরা বুঝতে পারো না? আবার, তোমরা তোমাদের বন্ধুদের সাথে কথা বলার সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করো যা তোমাদের বাবা-মা হয়তো বুঝতে পারেন না? এটা কেন হয়? কারণ আমাদের ভাষাটা একটু আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। আসলে, আমাদRead more
আপনারা কি কখনো লক্ষ করেছো, বাড়ির বড়রা কথা বলার সময় অনেক সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করেন যা তোমরা বুঝতে পারো না? আবার, তোমরা তোমাদের বন্ধুদের সাথে কথা বলার সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করো যা তোমাদের বাবা-মা হয়তো বুঝতে পারেন না? এটা কেন হয়? কারণ আমাদের ভাষাটা একটু আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। আসলে, আমাদের বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রূপ আছে: সাধু ভাষা আর চলিত ভাষা।
সাধু ভাষা:
সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও প্রথাগত রূপ, যা মূলত সাহিত্যিক, ধর্মীয় গ্রন্থ ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চমানের ও শুদ্ধ ভাষারূপ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে প্রাচীন ও ক্লাসিকাল শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। সাধু ভাষা মূলত গদ্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হত এবং এখনো কিছু সাহিত্যিক রচনায় বা আনুষ্ঠানিক লেখায় দেখা যায়।
চলিত ভাষা:
চলিত ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই রূপ, যা সাধারণ কথাবার্তায়, সংবাদপত্রে, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধু ভাষার তুলনায় সহজ, স্বাভাবিক, এবং প্রায়োগিক। চলিত ভাষা বাংলা সাহিত্যে ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়েছে এবং এখন বাংলা ভাষার প্রধান রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মধ্যে পার্থক্য:
কেন এই পার্থক্য?
ভাষাটা একটা জীবন্ত জিনিস। এটা সবসময় পরিবর্তন হতে থাকে। নতুন নতুন শব্দ যুক্ত হয়, পুরনো শব্দ ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণেই সাধু ভাষা আর চলিত ভাষার মধ্যে এত পার্থক্য।
কেন সাধু ভাষা শিখতে হবে?
সাধু ভাষা শিখলে আপনি আমাদের দেশের সমৃদ্ধ সাহিত্যকে আরো ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবে। এছাড়া, সাধু ভাষা শিখলে তোমার ভাষা জ্ঞান আরো বৃদ্ধি পাবে।
কেন চলিত ভাষা শিখতে হবে?
চলিত ভাষা শিখলে আপনি অন্যদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারবে। এছাড়া, চলিত ভাষা শিখলে তুমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেলিভিশন ইত্যাদি সহজে বুঝতে পারবে।
আশা করি এটি পড়ার মাধ্যমে আপনার ভাষাগত যে পার্থক্য জানার ছিল সে বিষয়টি সম্পূর্ণ বুঝতে পেরেছেন এবং শিখতে পেরেছেন যদি নতুন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই প্রশ্নটি আমাদেরকে করুন ।
See lessভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্য কি ?
ভাইরাস কী? ভাইরাস হলো খুবই ছোট এক ধরনের জিনিস। এত ছোট যে একে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। ভাইরাসের নিজের কোন জীবন নেই। একে বলা হয়, ‘অজীব জীব’। অর্থাৎ, এটি একা একা বাঁচতে পারে না। অর্থাৎ এরা নিজেরা নিজেদের সাথে বংশবিস্তার করতে পারেনা । ভাইরাসকে বাঁচার জন্য অন্য কোন জীবের দেহের প্রয়োজন হয়। যেমন, আমRead more
ভাইরাস কী?
ভাইরাস হলো খুবই ছোট এক ধরনের জিনিস। এত ছোট যে একে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। ভাইরাসের নিজের কোন জীবন নেই। একে বলা হয়, ‘অজীব জীব’। অর্থাৎ, এটি একা একা বাঁচতে পারে না। অর্থাৎ এরা নিজেরা নিজেদের সাথে বংশবিস্তার করতে পারেনা । ভাইরাসকে বাঁচার জন্য অন্য কোন জীবের দেহের প্রয়োজন হয়। যেমন, আমাদের দেহ। ভাইরাস আমাদের দেহের কোষের ভেতরে ঢুকে গিয়ে সেই কোষকে ব্যবহার করে নিজেদের অনেকগুলি করে তোলে। এভাবেই আমরা ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হই। ভাইরাস সাধারণত প্রোটিনের খোলস এবং ভিতরে জেনেটিক উপাদান (ডিএনএ বা আরএনএ) নিয়ে গঠিত।
ব্যাকটেরিয়া কী?
ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী জীব। অর্থাৎ, এর দেহে মাত্র একটি কোষ থাকে। ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন আকারের হয়। কিছু গোলাকার, কিছু দণ্ডাকার আবার কিছু প্যাঁচানো। ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, আমাদের দেহে এমনকি খাবারেও থাকে। সব ব্যাকটেরিয়া খারাপ নয়। অনেক ব্যাকটেরিয়া আমাদের জন্য উপকারীও। যেমন, দই তৈরিতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়।ব্যাকটেরিয়ারা সাধারণত ডিএনএ নিয়ে গঠিত এবং তাদের কোষে প্রোটিন, রাইবোজোম এবং অন্যান্য জৈবিক উপাদান থাকে।
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য
More: ধাতু ও অধাতুর মধ্যে পার্থক্য ?
কিছু মজার তথ্য
এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। কোনো রোগের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিন। আশা করি আপনি এখন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝতে পেরেছেন ধন্যবাদ।
See lessক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য কি ?
ক্ষার এবং ক্ষারক উভয়ই রসায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষার এবং ক্ষারকের ভিতরে বিভিন্ন ধরনের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে যা বোঝার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে এটি ব্যাখ্যা করতে পারবেন এবং আশা করি এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি এটি সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা লাভ করবেন। নীচে ক্ষার ও ক্ষারকের সংজ্ঞা ও তাদের মধ্যেRead more
ক্ষার এবং ক্ষারক উভয়ই রসায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষার এবং ক্ষারকের ভিতরে বিভিন্ন ধরনের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে যা বোঝার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে এটি ব্যাখ্যা করতে পারবেন এবং আশা করি এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি এটি সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা লাভ করবেন। নীচে ক্ষার ও ক্ষারকের সংজ্ঞা ও তাদের মধ্যে পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো।
ক্ষারের সংজ্ঞা
ক্ষার হলো এক ধরনের মৌলিক পদার্থ, যা জলীয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH⁻) উৎপন্ন করে এবং সাধারণত তীব্র ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। ক্ষার মুলত শক্তিশালী ক্ষারক, যা জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়।
ক্ষারকের সংজ্ঞা
ক্ষারক হলো এমন এক ধরনের মৌলিক পদার্থ, যা হাইড্রোজেন আয়নের (H⁺) সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে। ক্ষারক দেহের এসিডের বিপরীতে কাজ করে এবং যেকোনো দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH⁻) তৈরি করতে সক্ষম।
ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য
ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে নিম্নলিখিত পার্থক্যগুলো রয়েছে:
মজার তথ্য:
উপসংহার:
আশা করি, এই তুলনাটি ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে তোমার ধারণা পরিষ্কার করেছে। মনে রাখবে, ক্ষার সকল ক্ষারককেই অন্তর্ভুক্ত করে, কিন্তু সকল ক্ষারকই ক্ষার নয়।
See less