আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
এসি কিভাবে কাজ করে ?
এসি (এয়ার কন্ডিশনার) একটি যন্ত্র যা ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শীতল রাখে। এটি মূলত তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে কাজ করে: কম্প্রেসার, কনডেনসার, এবং ইভাপোরেটর।এটি প্রধানত একটি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করে গরম বাতাস শোষণ করে, ঠান্ডা বাতাস বের করে, এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করে। এসি কিভাবে কাজ করে: বিস্তRead more
এসি (এয়ার কন্ডিশনার) একটি যন্ত্র যা ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শীতল রাখে। এটি মূলত তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে কাজ করে: কম্প্রেসার, কনডেনসার, এবং ইভাপোরেটর।এটি প্রধানত একটি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করে গরম বাতাস শোষণ করে, ঠান্ডা বাতাস বের করে, এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করে।
এসি কিভাবে কাজ করে: বিস্তারিত ব্যাখ্যা
১. বায়ু শোষণ এবং ফিল্টার করা:
এসি প্রথমে ঘরের গরম বাতাস শোষণ করে। বাতাস শোষণ করার সময় এটি একটি ফিল্টারের মধ্য দিয়ে যায়, যা ধুলা, ময়লা এবং অন্যান্য অশুদ্ধতা পরিষ্কার করে।
২. কম্প্রেসর ব্যবহার করে শীতলকরণ প্রক্রিয়া:
৩. কনডেন্সার এবং তাপ অপসারণ:
কনডেন্সারে গরম রেফ্রিজারেন্ট ঠান্ডা হয় এবং তরলে পরিণত হয়। এই সময়ে তাপ বাহিরে চলে যায়।
৪. ইভাপোরেটর কয়েল এবং শীতল বাতাস প্রদান:
ইভাপোরেটর কয়েলে ঠান্ডা রেফ্রিজারেন্ট প্রবেশ করে এবং এতে ঘরের গরম বাতাস পাস করার সময় ঠান্ডা হয়ে যায়। শীতল বাতাস ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে।
৫. আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ:
শীতলকরণ প্রক্রিয়ার সময়, অতিরিক্ত আর্দ্রতা (Humidity) একটি ড্রেন পাইপের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
উদাহরণ:
ধরুন, আপনার ঘরের তাপমাত্রা ৩৫°C এবং আপনি এসি চালু করলেন। এসি প্রথমে ঘরের গরম বাতাস টেনে নিয়ে ফিল্টার করবে, এরপর কম্প্রেসর এবং কনডেন্সারের সাহায্যে রেফ্রিজারেন্টকে শীতল করে ঘরে ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করবে। কিছুক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমে ২৫°C হয়ে যাবে।
এসির সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. এসির উপকারিতা:
২. এসির ধরণ:
এসির বিভিন্ন অংশ:
See less
ব্যাপন ও নিঃসরণ এর পার্থক্য কি ?
আসুন, আমরা আজকে দুটি খুবই মজার বিজ্ঞানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানি। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ব্যাপন এবং নিঃসরণ। ব্যাপন কী? তোমরা কি কখনো একটা কামরায় পারফিউম স্প্রে করেছ? কিছুক্ষণ পরেই কামরার সব জায়গায় সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তাই না? এটাই হলো ব্যাপনের একটি উদাহরণ। ব্যাপন হলো কোনো পদার্থের কণাগুলোর এRead more
আসুন, আমরা আজকে দুটি খুবই মজার বিজ্ঞানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানি। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ব্যাপন এবং নিঃসরণ।
ব্যাপন কী?
তোমরা কি কখনো একটা কামরায় পারফিউম স্প্রে করেছ? কিছুক্ষণ পরেই কামরার সব জায়গায় সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তাই না? এটাই হলো ব্যাপনের একটি উদাহরণ।
ব্যাপন হলো কোনো পদার্থের কণাগুলোর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া। যেমন, এক গ্লাস পানিতে যদি কিছু শুকনো দুধের গুঁড়ো দাও, তাহলে ধীরে ধীরে গোটা পানি দুধের রঙ ধরে নেবে। এটাও ব্যাপনেরই একটি উদাহরণ।
নিঃসরণ কী?
নিঃসরণ একটু আলাদা ধরনের প্রক্রিয়া। নিঃসরণ হলো কোনো ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের অণুগুলোর বাইরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া। যেমন, একটা বেলুনে বাতাস ভরে রাখলে বেলুনের ছিদ্র দিয়ে ধীরে ধীরে বাতাস বের হয়ে যায়। এটাই হলো নিঃসরণ।
ব্যাপন ও নিঃসরণের মধ্যে পার্থক্য:
জজ এবং ব্যারিস্টার এর পার্থক্য কি ?
আমাদের দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল জজ এবং ব্যারিস্টার। কিন্তু এই দুইজনের কাজ এক নয়। আজকে আমরা জানবো তাদের মধ্যে কী কী পার্থক্য। জজ কে? জজ হলেন আদালতে বসে মামলা-মোকদ্দমার বিচার করেন এমন একজন ব্যক্তি। তিনি আইনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত দেন। জজকে আমরা একজন রেফারRead more
আমাদের দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল জজ এবং ব্যারিস্টার। কিন্তু এই দুইজনের কাজ এক নয়। আজকে আমরা জানবো তাদের মধ্যে কী কী পার্থক্য।
জজ কে?
জজ হলেন আদালতে বসে মামলা-মোকদ্দমার বিচার করেন এমন একজন ব্যক্তি। তিনি আইনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত দেন। জজকে আমরা একজন রেফারির মতোও ভাবতে পারি, যিনি খেলার মাঠে সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে বলে এবং শেষে কে জিতেছে তা ঘোষণা করে।
ব্যারিস্টার কে?
ব্যারিস্টার হলেন আদালতে একজন মামলার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন এমন একজন আইনজীবী। তিনি তার ক্লায়েন্টের পক্ষে সবচেয়ে ভালো যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। ব্যারিস্টারকে আমরা একজন খেলোয়াড়ের মতো ভাবতে পারি, যিনি জিতার জন্য সবচেয়ে ভালোভাবে খেলার চেষ্টা করে।
জজ এবং ব্যারিস্টারের মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা খেলার মাঠে। একজন রেফারি আছে যিনি খেলায় নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করেন এবং শেষে কে জিতেছে তা ঘোষণা করেন। তিনি জজের মতো। আর দুইটি দলের খেলোয়াড়রা তাদের দলের জন্য জিতার চেষ্টা করে। তারা ব্যারিস্টারের মতো।
সারসংক্ষেপ: জজ এবং ব্যারিস্টার দুজনই আইন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জজ আদালতে নিরপেক্ষভাবে বিচার করেন এবং আইনের শাসন বজায় রাখেন। অন্যদিকে, ব্যারিস্টার তার ক্লায়েন্টের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে এবং তার স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে: বাংলাদেশের আদালতগুলোতেও এই দুই ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে জজ এবং ব্যারিস্টাররা মিলে মিশে আইনের শাসন কায়েম রাখতে কাজ করে।
See lessজাতি ও জাতীয়তার মধ্যে পার্থক্য কি ?
জাতি ও জাতীয়তা – এই দুটি শব্দ প্রায়ই আমরা একই অর্থে ব্যবহার করি, কিন্তু এদের মধ্যে সূক্ষ্ম কিছু পার্থক্য আছে। চলো, আজ আমরা এই পার্থক্যগুলো সহজ ভাষায় বোঝার চেষ্টা করি: জাতি (Ethnicity): জাতি হলো মূলত একদল মানুষের সমষ্টি, যারা একই ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস এবং জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে। তারাRead more
জাতি ও জাতীয়তা – এই দুটি শব্দ প্রায়ই আমরা একই অর্থে ব্যবহার করি, কিন্তু এদের মধ্যে সূক্ষ্ম কিছু পার্থক্য আছে। চলো, আজ আমরা এই পার্থক্যগুলো সহজ ভাষায় বোঝার চেষ্টা করি:
জাতি (Ethnicity):
জাতি হলো মূলত একদল মানুষের সমষ্টি, যারা একই ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস এবং জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে। তারা একটি shared identity বা সম্মিলিত পরিচয়ে আবদ্ধ। একটি জাতির মানুষ একই ভুখণ্ডে বসবাস করতে পারে, আবার নাও পারে। যেমন- বাঙালি একটি জাতি, যারা বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে।
জাতীয়তা (Nationality):
অন্যদিকে, জাতীয়তা হলো একটি আইনি এবং রাজনৈতিক পরিচয়। এটি একটি দেশের নাগরিক হওয়ার সূত্রে পাওয়া যায়। জাতীয়তা একটি রাষ্ট্রের সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক স্থাপন করে। একটি দেশের সরকারই ঠিক করে কারা সেই দেশের নাগরিক এবং কাদের কী কী অধিকার ও দায়িত্ব থাকবে। যেমন- একজন বাংলাদেশী নাগরিকের জাতীয়তা হলো বাংলাদেশী।
জাতি ও জাতীয়তার পার্থক্য:
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার পার্থক্য কী ?
আপনি কি রান্নাঘরে নতুন চুলা কিনতে চাচ্ছেন? ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড চুলা – এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে হয়তো আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগছে। চিন্তা করবেন না, আমরা আজকে এই দুই ধরনের চুলার মধ্যে পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝিয়ে দেব। যাতে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইন্ডাকশন চুলা কী? কল্পনRead more
আপনি কি রান্নাঘরে নতুন চুলা কিনতে চাচ্ছেন? ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড চুলা – এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে হয়তো আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগছে। চিন্তা করবেন না, আমরা আজকে এই দুই ধরনের চুলার মধ্যে পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝিয়ে দেব। যাতে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ইন্ডাকশন চুলা কী?
কল্পনা করুন, আপনি একটি চুম্বককে একটি লোহার পাত্রের কাছে আনছেন। লোহার পাত্রটি চুম্বকের দিকে আকৃষ্ট হবে, তাই না? ইন্ডাকশন চুলাও অনেকটা একইভাবে কাজ করে। এখানে চুম্বকের পরিবর্তে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ চুলাটির নিচে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি যখন লোহা বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্রের নিচে আসে, তখন পাত্রটি নিজেই গরম হয়ে ওঠে। আর এই গরম পাত্রেই আমরা খাবার রান্না করি।
ইনফ্রারেড চুলা কী?
ইনফ্রারেড চুলা একটু আলাদা। এটি সরাসরি তাপ তৈরি করে। চুলার নিচের একটি বিশেষ উপাদানকে গরম করা হয়। এই উপাদানটি থেকে তাপ তরঙ্গ বের হয়, যা সরাসরি পাত্রকে গরম করে। এটি একটু সূর্যের মতো কাজ করে। সূর্য থেকে আসা তাপ আমাদেরকে গরম করে, ঠিক তেমনি ইনফ্রারেড চুলা থেকে আসা তাপ পাত্রকে গরম করে।
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার মধ্যে পার্থক্য:
উদাহরণ:
উপসংহার:
ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলা দুইটিই ভালো। কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা আপনার নিজের চাহিদা ও বাজেটের উপর নির্ভর করে।
See lessসাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কি?
আপনারা কি কখনো লক্ষ করেছো, বাড়ির বড়রা কথা বলার সময় অনেক সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করেন যা তোমরা বুঝতে পারো না? আবার, তোমরা তোমাদের বন্ধুদের সাথে কথা বলার সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করো যা তোমাদের বাবা-মা হয়তো বুঝতে পারেন না? এটা কেন হয়? কারণ আমাদের ভাষাটা একটু আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। আসলে, আমাদRead more
আপনারা কি কখনো লক্ষ করেছো, বাড়ির বড়রা কথা বলার সময় অনেক সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করেন যা তোমরা বুঝতে পারো না? আবার, তোমরা তোমাদের বন্ধুদের সাথে কথা বলার সময় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করো যা তোমাদের বাবা-মা হয়তো বুঝতে পারেন না? এটা কেন হয়? কারণ আমাদের ভাষাটা একটু আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। আসলে, আমাদের বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রূপ আছে: সাধু ভাষা আর চলিত ভাষা।
সাধু ভাষা:
সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও প্রথাগত রূপ, যা মূলত সাহিত্যিক, ধর্মীয় গ্রন্থ ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চমানের ও শুদ্ধ ভাষারূপ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে প্রাচীন ও ক্লাসিকাল শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। সাধু ভাষা মূলত গদ্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হত এবং এখনো কিছু সাহিত্যিক রচনায় বা আনুষ্ঠানিক লেখায় দেখা যায়।
চলিত ভাষা:
চলিত ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই রূপ, যা সাধারণ কথাবার্তায়, সংবাদপত্রে, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধু ভাষার তুলনায় সহজ, স্বাভাবিক, এবং প্রায়োগিক। চলিত ভাষা বাংলা সাহিত্যে ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়েছে এবং এখন বাংলা ভাষার প্রধান রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মধ্যে পার্থক্য:
কেন এই পার্থক্য?
ভাষাটা একটা জীবন্ত জিনিস। এটা সবসময় পরিবর্তন হতে থাকে। নতুন নতুন শব্দ যুক্ত হয়, পুরনো শব্দ ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণেই সাধু ভাষা আর চলিত ভাষার মধ্যে এত পার্থক্য।
কেন সাধু ভাষা শিখতে হবে?
সাধু ভাষা শিখলে আপনি আমাদের দেশের সমৃদ্ধ সাহিত্যকে আরো ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবে। এছাড়া, সাধু ভাষা শিখলে তোমার ভাষা জ্ঞান আরো বৃদ্ধি পাবে।
কেন চলিত ভাষা শিখতে হবে?
চলিত ভাষা শিখলে আপনি অন্যদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারবে। এছাড়া, চলিত ভাষা শিখলে তুমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেলিভিশন ইত্যাদি সহজে বুঝতে পারবে।
আশা করি এটি পড়ার মাধ্যমে আপনার ভাষাগত যে পার্থক্য জানার ছিল সে বিষয়টি সম্পূর্ণ বুঝতে পেরেছেন এবং শিখতে পেরেছেন যদি নতুন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই প্রশ্নটি আমাদেরকে করুন ।
See lessভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্য কি ?
ভাইরাস কী? ভাইরাস হলো খুবই ছোট এক ধরনের জিনিস। এত ছোট যে একে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। ভাইরাসের নিজের কোন জীবন নেই। একে বলা হয়, ‘অজীব জীব’। অর্থাৎ, এটি একা একা বাঁচতে পারে না। অর্থাৎ এরা নিজেরা নিজেদের সাথে বংশবিস্তার করতে পারেনা । ভাইরাসকে বাঁচার জন্য অন্য কোন জীবের দেহের প্রয়োজন হয়। যেমন, আমRead more
ভাইরাস কী?
ভাইরাস হলো খুবই ছোট এক ধরনের জিনিস। এত ছোট যে একে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। ভাইরাসের নিজের কোন জীবন নেই। একে বলা হয়, ‘অজীব জীব’। অর্থাৎ, এটি একা একা বাঁচতে পারে না। অর্থাৎ এরা নিজেরা নিজেদের সাথে বংশবিস্তার করতে পারেনা । ভাইরাসকে বাঁচার জন্য অন্য কোন জীবের দেহের প্রয়োজন হয়। যেমন, আমাদের দেহ। ভাইরাস আমাদের দেহের কোষের ভেতরে ঢুকে গিয়ে সেই কোষকে ব্যবহার করে নিজেদের অনেকগুলি করে তোলে। এভাবেই আমরা ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হই। ভাইরাস সাধারণত প্রোটিনের খোলস এবং ভিতরে জেনেটিক উপাদান (ডিএনএ বা আরএনএ) নিয়ে গঠিত।
ব্যাকটেরিয়া কী?
ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী জীব। অর্থাৎ, এর দেহে মাত্র একটি কোষ থাকে। ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন আকারের হয়। কিছু গোলাকার, কিছু দণ্ডাকার আবার কিছু প্যাঁচানো। ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, আমাদের দেহে এমনকি খাবারেও থাকে। সব ব্যাকটেরিয়া খারাপ নয়। অনেক ব্যাকটেরিয়া আমাদের জন্য উপকারীও। যেমন, দই তৈরিতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়।ব্যাকটেরিয়ারা সাধারণত ডিএনএ নিয়ে গঠিত এবং তাদের কোষে প্রোটিন, রাইবোজোম এবং অন্যান্য জৈবিক উপাদান থাকে।
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য
More: ধাতু ও অধাতুর মধ্যে পার্থক্য ?
কিছু মজার তথ্য
এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। কোনো রোগের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিন। আশা করি আপনি এখন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্যগুলো খুব সহজে বুঝতে পেরেছেন ধন্যবাদ।
See lessউদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য কি?
উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষ এর ব্যাপারে আপনার জানতে হলে সবার প্রথমে বুঝতে হবে কোষ কাকে বলে আসুন এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা জেনে নেই উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষের পার্থক্য বিস্তারিতভাবে । কোষ কী? কোষ হলো সকল জীবের মৌলিক গঠন একক। মনে করুন, একটি ইট দিয়ে একটি বাড়ি তৈরি করা হয়, ঠিক তেমনি কোষ দিয়ে একটি জীবদেহ তৈরি হRead more
উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষ এর ব্যাপারে আপনার জানতে হলে সবার প্রথমে বুঝতে হবে কোষ কাকে বলে আসুন এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা জেনে নেই উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষের পার্থক্য বিস্তারিতভাবে ।
কোষ কী?
কোষ হলো সকল জীবের মৌলিক গঠন একক। মনে করুন, একটি ইট দিয়ে একটি বাড়ি তৈরি করা হয়, ঠিক তেমনি কোষ দিয়ে একটি জীবদেহ তৈরি হয়। কোষ এতই ছোট যে একে খালি চোখে দেখা যায় না। একটি মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে আমরা কোষকে দেখতে পাই।
উদ্ভিদ কোষ কী?
উদ্ভিদ কোষ হলো উদ্ভিদের দেহ গঠনকারী মৌলিক একক। উদাহরণস্বরূপ, একটি গাছের পাতা, কাণ্ড বা শিকড়, সবকিছুই অসংখ্য উদ্ভিদ কোষ মিলে গঠিত।
প্রাণী কোষ কী?
প্রাণী কোষ হলো প্রাণীর দেহ গঠনকারী মৌলিক একক। আমরা, তোমার পোষা কুকুর, বা পাখি – সবাই মিলিয়ে প্রাণী। আর আমাদের দেহের প্রতিটি অংশ, যেমন হাত, পা, চোখ, কান ইত্যাদি, সবকিছুই অসংখ্য প্রাণী কোষ মিলে গঠিত।
উদ্ভিদ এবং প্রাণিসম্পর্কে জানতে এই প্রশ্নের উত্তরটি পড়ে আসতে পারেন : উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য কি?
উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য
উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে নিম্নলিখিত পার্থক্যগুলো রয়েছে:
কেন এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ?
উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের এই পার্থক্যের কারণে উদ্ভিদ ও প্রাণীরা একে অপরের থেকে আলাদা। উদ্ভিদ স্থির জীবনযাপন করে এবং স্বয়ং খাদ্য তৈরি করে, আর প্রাণীরা সাধারণত স্থানান্তরিত হয় এবং অন্য জীবকে খেয়ে বা তাদের দেহ থেকে তৈরি পদার্থ খেয়ে খাদ্য গ্রহণ করে।
উপসংহার:
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার প্রাণী কোষ এবং উদ্ভিদ কোষের পার্থক্য গুলো স্পষ্ট করেছেমনে রাখবে, সব জীবের মৌলিক গঠন একক হলো কোষ। আর উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য আছে যার কারণে তারা একে অপরের থেকে আলাদা।
মজার তথ্য:
- একটি শুধুমাত্র এক কোষ দিয়ে গঠিত জীবকে এককোষী জীব বলে।
- একটির চেয়ে বেশি কোষ দিয়ে গঠিত জীবকে বহুকোষী জীব বলে।
- মানুষ একটি বহুকোষী জীব।
See lessউদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা কর ?
উদ্ভিদ এবং প্রাণী প্রকৃতির দুটি প্রধান জীবজগৎ ও পৃথিবীর মূল ভিত্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনচক্র, গঠন ও কার্যাবলীর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সংজ্ঞা ও তাদের পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো। উদ্ভিদের সংজ্ঞা উদ্ভিদ হলো এমন এক প্রকার স্বয়ংসম্পূর্ণ জীব। এরা নিজেরাই খাদ্য তৈRead more
উদ্ভিদ এবং প্রাণী প্রকৃতির দুটি প্রধান জীবজগৎ ও পৃথিবীর মূল ভিত্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনচক্র, গঠন ও কার্যাবলীর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সংজ্ঞা ও তাদের পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো।
উদ্ভিদের সংজ্ঞা
উদ্ভিদ হলো এমন এক প্রকার স্বয়ংসম্পূর্ণ জীব। এরা নিজেরাই খাদ্য তৈরি করে। সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে নেওয়া খনিজ লবণের সাহায্যে তারা খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াকে বলে ‘প্রক্রিয়াকরণ’। উদ্ভিদ গাছ, ফুল, ঘাস ইত্যাদি সবই উদ্ভিদের উদাহরণ।
প্রাণীর সংজ্ঞা
প্রাণী হলো সচল জীব। এরা নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে পারে না। তাই অন্য জীব বা উদ্ভিদকে খেয়ে বা তাদের দেহ থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। মানুষ, পশু, পাখি, মাছ ইত্যাদি সবই প্রাণীর উদাহরণ।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য টেবিল
উপসংহার:
উদ্ভিদ ও প্রাণী দুইই জীবজগতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এরা একে অপরের উপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদ আমাদেরকে খাদ্য, অক্সিজেন এবং আশ্রয় দেয়। আর প্রাণীরা উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। তাই উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়কেই আমাদের রক্ষা করা জরুরি।
See lessনদ ও নদীর পার্থক্য কি ?
নদ নদ বলতে বোঝায় এমন একটি প্রবাহিত জলধারা যা সাধারণত সরু এবং অপেক্ষাকৃত ছোট। এটি একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে অনেক ছোট নদ রয়েছে, যা বর্ষাকালে পানিতে পূর্ণ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যায়। নদী নদী বলতে বোঝায় বৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী জলপ্রবাRead more
নদ
নদ বলতে বোঝায় এমন একটি প্রবাহিত জলধারা যা সাধারণত সরু এবং অপেক্ষাকৃত ছোট। এটি একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে অনেক ছোট নদ রয়েছে, যা বর্ষাকালে পানিতে পূর্ণ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যায়।
নদী
নদী বলতে বোঝায় বৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী জলপ্রবাহ যা একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে সাগর বা মহাসাগরে পতিত হয়। এটি বৃহৎ পরিমাণে পানি বহন করে এবং সারাবছর প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পদ্মা নদী।
উদাহরণ
উদাহরণ:
এই পার্থক্যগুলো বুঝতে পারলে, আপনি সহজেই নদ এবং নদীর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন এবং তাদের প্রভাব সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন।
See less