ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২৬ ধারা কিভাবে কাজ করে?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অপরাধ দমন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়। ২৬ ধারা এই আইনের একটি অংশ, যা ডিজিটাল জালিয়াতি এবং ভুয়া তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে।
২৬ ধারা কিভাবে গঠিত হলো
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সালে প্রণীত হয়, যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অপরাধ দমনে সহায়ক। ২৬ ধারা মূলত সাইবার জালিয়াতি, ভুয়া পরিচয় এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার রোধের জন্য প্রণীত হয়েছে।
২৬ ধারায় শাস্তির বিধান
২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তির নাম, পরিচয় বা তথ্য ভুয়া বা বিভ্রান্তিকরভাবে ব্যবহার করে অন্যের ক্ষতি করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
মামলা করার পূর্বে লক্ষ্যণীয় বিষয়গুলো
২৬ ধারায় মামলা করার আগে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য করা উচিত:
উপসংহার
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২৬ ধারা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সাইবার অপরাধ দমনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষা করে এবং সমাজে ডিজিটাল জালিয়াতি ও বিভ্রান্তি রোধে সহায়ক। আইনটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে কেউ অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ধারা ডিজিটাল অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।