বাগদা ও গলদা চিংড়ির পার্থক্য কি ?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
আমরা প্রায়ই বাগদা ও গলদা চিংড়ি খাই, কিন্তু কখনো ভেবেছো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে? আসলে, এই দুই চিংড়ির মধ্যে অনেক ছোট ছোট পার্থক্য আছে, যা দেখতে গেলে বোঝা যায় না, কিন্তু খেতে গেলে অনেক পার্থক্য বোঝা যায়। আজকে আমরা জানবো এই দুই চিংড়ির মধ্যে কী কী পার্থক্য।
বাগদা চিংড়ি কী?
বাগদা চিংড়ি সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের হয়। এদের দেহ সাদা বা হালকা ধূসর রঙের হয়। বাগদা চিংড়ি মিষ্টি জল, লবণাক্ত জল এবং মিশ্র জলাশয়ে চাষ করা যায়। এরা অনেক পরিবেশে খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে।
গলদা চিংড়ি কী?
গলদা চিংড়ি বাগদার তুলনায় বড় আকারের হয়। এদের দেহ সাধারণত গাঢ় বাদামি বা কালো রঙের হয় এবং শরীরে দাগ বা স্ট্রাইপ থাকে, যা দেখতে টাইগারের দাগের মতো। গলদা চিংড়ি মূলত উষ্ণ জলাশয়ে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণত সামুদ্রিক পরিবেশে চাষ করা হয়।
বাগদা ও গলদা চিংড়ির মধ্যে পার্থক্য
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা
বাগদা চিংড়ি: ধরুন, আপনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গেছেন এবং স্থানীয় বাজার থেকে কিছু চিংড়ি কিনলেন। এগুলো লম্বা, চিকন ও গায়ে কালো ডোরা কাটা দাগ রয়েছে—এগুলোই বাগদা চিংড়ি।
গলদা চিংড়ি: অন্যদিকে, আপনি যদি খুলনা বা গোপালগঞ্জের কোনো মিঠা পানির ঘেরে যান, তাহলে দেখতে পাবেন কিছু বড় চিংড়ি, যেগুলোর মাথায় বড় নীলচে আঁকশি আছে—এগুলো গলদা চিংড়ি।
উপসংহার
বাগদা ও গলদা চিংড়ি দেখতে আলাদা হলেও দুটোই বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাগদা চিংড়ি বেশি রপ্তানিযোগ্য হলেও, গলদা চিংড়ির স্বাদ ও মাংসলতা বেশি। তাই, বাণিজ্যিক চাষের জন্য বাগদা চিংড়ি গুরুত্বপূর্ণ, আর খাবারের স্বাদের জন্য গলদা চিংড়ি বেশি পছন্দ করা হয়।