মুদারাবা ও মুশারাকার পার্থক্য কি ?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
ইসলামি অর্থনীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মুদারাবা ও মুশারাকা। এই দুটি শব্দ শুনলে অনেকেই হয়তো একটু অবাক হবেন। আসলে, এই দুটি ধারণা ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থনীতিতে ব্যবসা ও অর্থ লেনদেনের একটি বিশেষ পদ্ধতি। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য।
মুদারাবা কী?
মুদারাবা হলো ইসলামি অর্থনীতিতে একটি ধরনের অংশীদারিত্ব। এখানে একজন ব্যক্তি (মালিক) তার টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করে এবং অন্য একজন ব্যক্তি (মুদারিব) তার দক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে সেই ব্যবসা পরিচালনা করে। ব্যবসায়ে লাভ হলে তা নির্দিষ্ট অনুপাতে মালিক ও মুদারিবের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু লোকসান হলে শুধুমাত্র মালিকই লোকসান বহন করবে।
উদাহরণ: একজন ব্যক্তির কাছে অনেক টাকা আছে কিন্তু ব্যবসা করার জ্ঞান নেই। অন্য একজন ব্যক্তি ব্যবসা করতে চায় কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। এই দুইজন মিলে মুদারাবার চুক্তি করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি তার টাকা দেবে এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি ব্যবসা পরিচালনা করবে।
মুশারাকা কী?
মুশারাকাও ইসলামি অর্থনীতিতে একটি ধরনের অংশীদারিত্ব। মুদারাবার মতোই এখানেও দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে ব্যবসা করে। তবে মুশারাকায় সবাই মূলধন দেয় এবং সবাই মিলে ব্যবসা পরিচালনা করে। ব্যবসায়ে লাভ হলে তা সবার মধ্যে নির্দিষ্ট অনুপাতে ভাগ হয়ে যায় এবং লোকসান হলে সবাই মিলে লোকসান বহন করে।
উদাহরণ: দুই বন্ধু মিলে একটি রেস্টুরেন্ট খুলতে চায়। একজন তার সঞ্চয় দেবে এবং অন্যজন তার অভিজ্ঞতা ও সময় দেবে। তারা মিলে রেস্টুরেন্টটি পরিচালনা করবে এবং লাভ হলে তা ভাগ করে নেবে।
মুদারাবা ও মুশারাকার মধ্যে পার্থক্য
উদাহরণ দিয়ে সহজ ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মুদারাবা ও মুশারাকা উভয়ই ব্যবহৃত হয়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোগে মুদারাবা বেশি দেখা যায়, আর বৃহৎ শিল্প প্রকল্পে মুশারাকা চুক্তি কার্যকর।