325 ধারা কি ?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে এমন আঘাত করে যে আঘাতের ফলে ব্যক্তিটির শারীরিক ক্ষতি হয় এবং সেই ক্ষতি দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী হয়ে যায়, তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারায় মামলা করা হতে পারে। এই ধরনের আঘাতকে সাধারণত গুরুতর আঘাত বলা হয়।
উদাহরণ:
গঠন ও প্রেক্ষাপট:
১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধির অংশ হিসেবে ৩২৫ ধারা গঠিত হয়। এটি ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত হয়েছিল এবং বর্তমানে বাংলাদেশের আইন হিসেবে কার্যকর রয়েছে।
শাস্তির বিধান:
৩২৫ ধারায় দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। অপরাধের গুরুতরতার ভিত্তিতে আদালত শাস্তি নির্ধারণ করে।
মামলা করার প্রক্রিয়া:
১. প্রমাণ সংগ্রহ: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ থাকা আবশ্যক।
২. এজাহার দাখিল: স্থানীয় থানায় এজাহার জমা দিতে হবে।
৩. সাক্ষ্য-প্রমাণ: পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।
আওতাভুক্তদের ব্যবস্থা:
মামলার রায় অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি শাস্তির সম্মুখীন হয়। আদালত প্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তি নির্ধারণ করে এবং প্রয়োজনে জরিমানা আরোপ করে।
এটি সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে এবং কোনো ব্যক্তিগত আইনি পরামর্শ নয়। বিস্তারিত জানার জন্য অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করুন।