আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
অবগত.com এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার জ্ঞান শেয়ার করতে পারবেন পাশাপাশি বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ জ্ঞান / বিদ্যা শেয়ার করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।
শেয়ার ও ঋণপত্রের মধ্যে পার্থক্য কি?
আপনি যখন একটি কোম্পানির শেয়ার বা ঋণপত্র কিনতে যান, তখন হয়তো মনে মনে প্রশ্ন জাগে—এ দুটি কী, এবং এর মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন, এই দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি। ১. শেয়ার (Share) কী? শেয়ার হল একটি কোম্পানির অংশীদারি। যখন আপনি শেয়ার কিনেন, আপনি সেই কোম্পানির একটি ছোট অংশের মালিক হন। শেয়ারের মাধ্যমে আপRead more
আপনি যখন একটি কোম্পানির শেয়ার বা ঋণপত্র কিনতে যান, তখন হয়তো মনে মনে প্রশ্ন জাগে—এ দুটি কী, এবং এর মধ্যে পার্থক্য কী? আসুন, এই দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
১. শেয়ার (Share) কী?
শেয়ার হল একটি কোম্পানির অংশীদারি। যখন আপনি শেয়ার কিনেন, আপনি সেই কোম্পানির একটি ছোট অংশের মালিক হন। শেয়ারের মাধ্যমে আপনি কোম্পানির লাভের অংশীদার হতে পারেন, অর্থাৎ কোম্পানি লাভ করলে আপনিও লাভ পাবেন, এবং কোম্পানির ক্ষতির ক্ষেত্রেও আপনার অংশ থাকবে। শেয়ারের মূল্য ওঠানামা করে এবং এটি বাজারে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়।
উদাহরণ:
আশিক একটি কোম্পানির শেয়ার কিনে। এর ফলে, সে কোম্পানির মালিকানা কিছুটা পেয়েছে। যদি কোম্পানি লাভ করে, আশিকের শেয়ারের দাম বাড়বে এবং সে লাভ পাবে।
২. ঋণপত্র (Bond) কী?
ঋণপত্র হলো একটি আর্থিক নথি যা কোম্পানি বা সরকার কর্তৃক ইস্যু করা হয়, যা দিয়ে তারা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ধার নেয়। ঋণপত্র ক্রয় করলে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুদসহ আপনার বিনিয়োগ ফেরত পাবেন। এটি একটি ঋণ বিনিয়োগ হিসেবে কাজ করে। ঋণপত্রের মালিকানা থেকে আপনি লাভের অংশীদার হন না, বরং আপনি নির্দিষ্ট সুদ বা ইন্টারেস্ট পেতে পারেন এবং ঋণ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা পান।
উদাহরণ:
মাহির একটি সরকারি ঋণপত্র কিনেছে। এটি মূলত একটি ঋণ, যা মাহি কিছু বছর পর সুদসহ ফেরত পাবে।
শেয়ার ও ঋণপত্রের পার্থক্য
নিচে শেয়ার ও ঋণপত্রের পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো:
সাংবাদিক ও রিপোর্টার পার্থক্য কি ?
আমরা যখন সংবাদ দেখি বা পড়ি, তখন হয়তো "সাংবাদিক" বা "রিপোর্টার" শব্দ দুটি আমাদের মনে আসে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই দুটি পেশার মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। আসুন, প্রথমে এই দুটি পেশার সংজ্ঞা বুঝে নিই। ১. সাংবাদিক (Journalist) কী? সাংবাদিক হলেন একজন পেশাদার ব্যক্তি, যিনি সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রকাRead more
আমরা যখন সংবাদ দেখি বা পড়ি, তখন হয়তো “সাংবাদিক” বা “রিপোর্টার” শব্দ দুটি আমাদের মনে আসে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই দুটি পেশার মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। আসুন, প্রথমে এই দুটি পেশার সংজ্ঞা বুঝে নিই।
১. সাংবাদিক (Journalist) কী?
সাংবাদিক হলেন একজন পেশাদার ব্যক্তি, যিনি সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে তথ্য পৌঁছান। সাংবাদিকরা সাধারণত সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কাজ করেন। তারা বিভিন্ন বিষয় যেমন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, এবং বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেন। সাংবাদিকের কাজ শুধু সংবাদ সংগ্রহ করা নয়, বরং তা বিশ্লেষণ, প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ, এবং জনসাধারণের জন্য সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন করা।
উদাহরণ:
রূপা একজন সাংবাদিক, যিনি নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবর নিয়ে নিবন্ধ লেখেন। তিনি রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পরিবেশ, সমাজ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেন এবং তা তার পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেন।
২. রিপোর্টার (Reporter) কী?
রিপোর্টার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি সংবাদ সংগ্রহ করেন, সেগুলোর তথ্য যাচাই করেন এবং সেগুলো প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সামনে তুলে ধরেন। রিপোর্টাররা সংবাদ পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও কিংবা অনলাইন মিডিয়ার জন্য কাজ করেন। রিপোর্টাররা মূলত সাংবাদিকদের সহকর্মী হিসেবে কাজ করেন, কিন্তু তাদের কাজ হলো মূলত ঘটনার বা পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ তথ্য সংগ্রহ এবং তা প্রকাশ্যে আনা।
উদাহরণ:
নাসির একজন রিপোর্টার, যিনি প্রতিদিন মাঠে গিয়ে বিভিন্ন ঘটনার খবর সংগ্রহ করেন, যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা বা কোনো দুর্যোগের খবর। তিনি তার রিপোর্টটি একেবারে ফ্রেশ এবং সঠিক তথ্য নিয়ে পাঠকদের কাছে পৌঁছান।
সাংবাদিক ও রিপোর্টারের পার্থক্য
নিচে টেবিলের মাধ্যমে সাংবাদিক ও রিপোর্টারের মধ্যে পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
স্পটিং ও পিরিয়ডের পার্থক্য কি ?
পিরিয়ড এবং স্পটিং—এই দুটি শব্দ আমরা সাধারণত মেয়েদের মাসিক চক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত শুনে থাকি। যদিও অনেকেই এগুলোকে একে অপরের মতো ভাবতে পারেন, তবে এই দুটি খুবই আলাদা বিষয়। আসুন, প্রথমে স্পটিং এবং পিরিয়ডের সংজ্ঞা বুঝে নিই। ১. স্পটিং (Spotting) কী? স্পটিং বলতে বোঝায়, মাসিকের সময়ের আগে বা পরে কিছুটা রক্তপাRead more
পিরিয়ড এবং স্পটিং—এই দুটি শব্দ আমরা সাধারণত মেয়েদের মাসিক চক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত শুনে থাকি। যদিও অনেকেই এগুলোকে একে অপরের মতো ভাবতে পারেন, তবে এই দুটি খুবই আলাদা বিষয়। আসুন, প্রথমে স্পটিং এবং পিরিয়ডের সংজ্ঞা বুঝে নিই।
১. স্পটিং (Spotting) কী?
স্পটিং বলতে বোঝায়, মাসিকের সময়ের আগে বা পরে কিছুটা রক্তপাত হওয়া, যা সাধারণত খুবই কম পরিমাণে হয়। এটি অনেক সময় হালকা গোলাপী বা বাদামী রঙের হতে পারে। স্পটিং মূলত একটি স্বাভাবিক ঘটনা, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন: হরমোনাল পরিবর্তন, গর্ভধারণ, অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বা কোনো মেডিকেল কন্ডিশন।
উদাহরণ: মনি মাসিকের শুরু হওয়ার ২-৩ দিন আগে হালকা বাদামী রঙের রক্ত দেখতে পেয়েছিল। এটি ছিল স্পটিং, যা স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো বড় সমস্যা ছিল না।
২. পিরিয়ড (Period) কী?
পিরিয়ড হলো মাসিক চক্রের নিয়মিত অংশ, যেখানে মেয়ে বা মহিলাদের জরায়ুর ভেতরের স্তরকে বের করার জন্য রক্তপাত ঘটে। এটি সাধারণত ৩-৭ দিন স্থায়ী হয় এবং এটি অনেক বেশি পরিমাণে হয়, যা স্পটিংয়ের তুলনায় অনেক ভারী এবং লাল রঙের হয়।
উদাহরণ: তানিয়া গত সপ্তাহে তার পিরিয়ড শুরু করেছিল, আর তার পিরিয়ডের সময় রক্তপাত ছিল প্রচুর এবং এটি ৫ দিন ধরে চলেছিল। এটি ছিল তার নিয়মিত পিরিয়ড।
স্পটিং ও পিরিয়ডের পার্থক্য
নিচে টেবিলের মাধ্যমে স্পটিং ও পিরিয়ডের পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:
কোথায় এবং কখন চিন্তা করবেন?
স্পটিং সাধারণত ভয়ঙ্কর কিছু নয়, তবে যদি আপনি দীর্ঘ সময় ধরে বা নিয়মিতভাবে স্পটিং দেখেন, অথবা যদি এর সঙ্গে অন্য কোনো সমস্যা যেমন পেটে ব্যথা বা অন্যান্য শারীরিক লক্ষণ থাকে, তবে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
অন্যদিকে, যদি আপনার পিরিয়ড নিয়মিত না হয় বা খুব বেশি পরিবর্তন হয়, তাহলে সেক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, যদি পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত বা কোনো ধরনের অস্বস্তি অনুভব করেন।
উপসংহার
স্পটিং এবং পিরিয়ড দুটি আলাদা ঘটনা হলেও, এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো মিলও রয়েছে। জানুন, যে কোনো পরিবর্তন বা অসুবিধা অনুভব করলে আপনার শরীরের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই ব্যাখ্যা ও টেবিল আপনাকে স্পটিং ও পিরিয়ডের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করবে।
See lessহার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শব্দ দুটি শুনি। কিন্তু এই দুটি কী এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কী, তা অনেকেই জানি না। আসুন জেনে নিই। হার্ডওয়্যার কী? হার্ডওয়্যার বলতে কম্পিউটারের যেসব অংশ আমরা দেখতে পাই এবং স্পর্শ করতে পারি, সেগুলোকে বোঝায়। এগুলো কম্পিউটারের শারীরিকRead more
কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শব্দ দুটি শুনি। কিন্তু এই দুটি কী এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কী, তা অনেকেই জানি না। আসুন জেনে নিই।
হার্ডওয়্যার কী?
হার্ডওয়্যার বলতে কম্পিউটারের যেসব অংশ আমরা দেখতে পাই এবং স্পর্শ করতে পারি, সেগুলোকে বোঝায়। এগুলো কম্পিউটারের শারীরিক অংশ। উদাহরণস্বরূপ, কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, সিপিইউ ইত্যাদি সবই হার্ডওয়্যার।
সফটওয়্যার কী?
সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। এটি হলো সেই নির্দেশাবলীর সেট যা কম্পিউটারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা বলে। সফটওয়্যারকে আমরা দেখতে পাই না, কিন্তু এর প্রভাব আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে অনুভব করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, গেমস ইত্যাদি সবই সফটওয়্যার।
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উদাহরণ
ধরুন, বাংলাদেশে একটি সাধারণ দোকান। দোকানটির মধ্যে বেশ কিছু শারীরিক উপাদান (যেমন: টেবিল, চেয়ার, কাশন, ক্যাশ রেজিস্টার) রয়েছে, যা হার্ডওয়্যার। এই দোকানটি সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য যদি দোকানি কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম (যেমন: ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার) ব্যবহার করে, তবে তা হলো সফটওয়্যার। দোকানের কাজ সঠিকভাবে চলার জন্য উভয়ের (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার) সমন্বয় প্রয়োজন।
উপসংহার
তাহলে, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একে অপরের উপর নির্ভরশীল। হার্ডওয়্যার আমাদের কাজ করার সরঞ্জাম সরবরাহ করে, এবং সফটওয়্যার এটি নিয়ন্ত্রিত এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। একে অপরের সহায়তায় আমাদের প্রযুক্তির জীবন আরও সহজ এবং দ্রুত হয়ে ওঠে।
See lessঅরবিট ও অরবিটাল এর পার্থক্য কি কি?
আমরা প্রায়ই অরবিট ও অরবিটাল শব্দ দুটি শুনি, বিশেষ করে রসায়ন শাস্ত্রে। কিন্তু এই দুটি শব্দ আসলে একই জিনিসকে বোঝায় না। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য। অরবিট কী? অরবিট হলো পরমাণুর কেন্দ্রকের চারপাশে ইলেকট্রন যে নির্দিষ্ট পথে ঘোরে, সেই পথকে বলা হয়। এটি একটি দ্বিমাত্রিক ধারণা, যেমন একটি গোলRead more
আমরা প্রায়ই অরবিট ও অরবিটাল শব্দ দুটি শুনি, বিশেষ করে রসায়ন শাস্ত্রে। কিন্তু এই দুটি শব্দ আসলে একই জিনিসকে বোঝায় না। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য।
অরবিট কী?
অরবিট হলো পরমাণুর কেন্দ্রকের চারপাশে ইলেকট্রন যে নির্দিষ্ট পথে ঘোরে, সেই পথকে বলা হয়। এটি একটি দ্বিমাত্রিক ধারণা, যেমন একটি গোল চাকার চারপাশে একটা পোকা ঘুরছে। বোরের পরমাণু মডেল অনুযায়ী, ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে। এই কক্ষপথকেই অরবিট বলা হয়।
অরবিটাল কী?
অরবিটাল হলো পরমাণুর কেন্দ্রকের চারপাশে ত্রিমাত্রিক স্থান যেখানে কোনো ইলেকট্রন পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এটি একটি ত্রিমাত্রিক ধারণা, যেমন একটি মেঘের মতো। অর্থাৎ, আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি না যে ইলেকট্রন কোন নির্দিষ্ট জায়গায় আছে, তবে আমরা বলতে পারি যে ইলেকট্রন কোন অঞ্চলে থাকার সম্ভাবনা বেশি।
অরবিট ও অরবিটালের মধ্যে পার্থক্য
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সহজ উদাহরণ
অরবিটের উদাহরণ:
অরবিটালের উদাহরণ:
উপসংহার
অরবিট ছিল প্রাচীন ধারণা, যেখানে ইলেকট্রন নির্দিষ্ট পথে ঘোরে বলা হতো। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাহায্যে দেখা গেছে, ইলেকট্রনের সুনির্দিষ্ট পথ নেই, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে থাকার সম্ভাবনা বেশি, যাকে অরবিটাল বলে। তাই, পরমাণুর গঠন বুঝতে গেলে অরবিটালই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
See lessঅর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই শুনি, কোন দেশের অর্থনীতি উন্নয়ন হচ্ছে বা প্রবৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এই দুই শব্দ একই অর্থে ব্যবহৃত হয় না। আসলে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আসুন জেনে নিই এই দুইয়ের মধ্যে কী কী পার্থক্য। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কী? অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে কোনো দেশেRead more
আমরা প্রায়ই শুনি, কোন দেশের অর্থনীতি উন্নয়ন হচ্ছে বা প্রবৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এই দুই শব্দ একই অর্থে ব্যবহৃত হয় না। আসলে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আসুন জেনে নিই এই দুইয়ের মধ্যে কী কী পার্থক্য।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কী?
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে কোনো দেশের মোট উৎপাদন বৃদ্ধিকে বোঝায়। অর্থাৎ, একটি দেশে যদি বেশি করে পণ্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তাহলে বলা যাবে সেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এটি যেমন কোনো ব্যবসায়ের মুনাফা বাড়ার মতো।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে একটি দেশের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নতির কথা বোঝায়। এতে শুধু মাত্র উৎপাদন বা আয় বৃদ্ধিই নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার মান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য হ্রাস, বেকারত্ব হ্রাস ইত্যাদি সব কিছু অন্তর্ভুক্ত।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উদাহরণ
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উদাহরণ:
অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদাহরণ:
উপসংহার
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলো উৎপাদন ও আয়ের বৃদ্ধি, কিন্তু এটি নিশ্চিত করে না যে দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নতির ছোঁয়া পাচ্ছে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলো সার্বিক উন্নয়ন, যা মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটায়। তাই শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, বরং উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ ভালোভাবে বাঁচতে পারে।
See lessঅ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট এর মধ্যে পার্থক্য কি কি ?
আমরা প্রায়ই কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করি। এই যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করে, তা জানতে হলে অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট সম্পর্কে জানা জরুরি। এই দুটি শব্দ শুনলে অনেকেই হয়তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য। অ্যালগরিদম কী? অ্যালগরিদম হলো কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধাপে ধাপে নির্Read more
আমরা প্রায়ই কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করি। এই যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করে, তা জানতে হলে অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট সম্পর্কে জানা জরুরি। এই দুটি শব্দ শুনলে অনেকেই হয়তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। আসুন জেনে নিই এই দুটির মধ্যে কী পার্থক্য।
অ্যালগরিদম কী?
অ্যালগরিদম হলো কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশাবলীর একটি তালিকা। একে যেন আমরা একটি রান্নার রেসিপি মনে করতে পারি। রেসিপিতে ধাপে ধাপে বলা থাকে কীভাবে একটি খাবার তৈরি করতে হয়। ঠিক তেমনি, অ্যালগরিদমে ধাপে ধাপে বলা থাকে কোনো কাজ কীভাবে করতে হয়।
ফ্লোচার্ট কী?
ফ্লোচার্ট হলো অ্যালগরিদমকে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা। এতে বিভিন্ন ধরনের আকৃতির বাক্স ব্যবহার করে অ্যালগরিদমের বিভিন্ন ধাপকে দেখানো হয়। ফ্লোচার্টের সাহায্যে কোনো কাজের ধাপগুলোকে সহজে বোঝা যায়।
অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের মধ্যে পার্থক্য
কেন অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট জানা জরুরি?
উদাহরণ:
একটি সংখ্যা জোড় বা বিজোড় তা নির্ণয় করার জন্য একটি অ্যালগরিদম হতে পারে:
উপরের অ্যালগরিদমটিকে একটি ফ্লোচার্টের মাধ্যমে আরও সহজে বোঝানো যায়।
উপসংহার
অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট উভয়ই কোনো সমস্যার সমাধান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টুল। অ্যালগরিদম হলো নির্দেশনার ধাপ, আর ফ্লোচার্ট হলো সেটার চিত্রিত রূপ। এই দুইটি ভালোভাবে বুঝতে পারলে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতা অনেক বেড়ে যায়।
See less