আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
অবগত.com এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার জ্ঞান শেয়ার করতে পারবেন পাশাপাশি বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ জ্ঞান / বিদ্যা শেয়ার করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।
বিভব পার্থক্য কাকে বলে ?
সংজ্ঞা: বিভব পার্থক্য হলো দুটি বিন্দুর মধ্যে বৈদ্যুতিক সম্ভাবনা বা শক্তির পার্থক্য। এটি একটি মাপ যার মাধ্যমে বোঝা যায় যে, এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে বৈদ্যুতিক চার্জ প্রবাহিত হওয়ার জন্য কতটুকু শক্তি প্রয়োজন। সহজভাবে বললে, এটি হলো দুটি পয়েন্টের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পার্থক্য।Read more
কিভাবে ইংরেজি রিডিং শিখব?
ইংরেজি রিডিং শিখা একদমই মজাদার এবং কার্যকরী হতে পারে যদি আপনি সঠিক উপায় অবলম্বন করেন। আপনি যখন রিডিং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চান, তখন কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে দ্রুত ফলাফল পেতে পারেন। নিচে আমি কয়েকটি পরামর্শ দিচ্ছি, যেগুলি আপনার ইংরেজি রিডিং স্কিল উন্নত করতে সাহায্য করবে। ১. সহজ বই ও ম্যাটিরিয়াল দিয়ে শRead more
ইংরেজি রিডিং শিখা একদমই মজাদার এবং কার্যকরী হতে পারে যদি আপনি সঠিক উপায় অবলম্বন করেন। আপনি যখন রিডিং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চান, তখন কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে দ্রুত ফলাফল পেতে পারেন। নিচে আমি কয়েকটি পরামর্শ দিচ্ছি, যেগুলি আপনার ইংরেজি রিডিং স্কিল উন্নত করতে সাহায্য করবে।
১. সহজ বই ও ম্যাটিরিয়াল দিয়ে শুরু করুন
শুরুতে কঠিন বই বা সাহিত্যিক গ্রন্থ না পড়ে সহজ বই, কমিক্স, ছোট গল্প বা পত্রিকা পড়ুন। এগুলোর ভাষা সহজ হবে এবং পড়তে আপনার অস্বস্তি হবে না। আপনি “Oxford Reading Tree”, “Big English”, বা “Penguin Readers” এর মতো সহজ বইগুলো শুরু করতে পারেন।
উদাহরণ:
২. নতুন শব্দ শেখার জন্য অভিধান ব্যবহার করুন
পড়ার সময় নতুন কোনো শব্দ দেখলে, তা ধরুন এবং অভিধান থেকে তার অর্থ খুঁজে বের করুন। তবে, শুধু অর্থ জানলেই হবে না, সেই শব্দটি বাক্যে কীভাবে ব্যবহার হয় তাও বুঝতে হবে। একে একে আপনি নতুন শব্দ শিখবেন এবং তা আপনার শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হবে।
উদাহরণ:
৩. ডিকোডিং স্কিল ডেভেলপ করুন
অর্থাৎ, যখন আপনি কোনো নতুন শব্দ পড়েন, তখন চেষ্টা করুন শব্দটি ভেঙে ভেঙে বুঝতে। ধরুন, কোনো শব্দে দুটি অংশ আছে, যেমন “unhappiness”, যেখানে “un-” মানে “না”, এবং “happiness” মানে “আনন্দ”।
এটা আপনাকে দ্রুত নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করবে।
৪. ধৈর্য এবং নিয়মিত অভ্যাস
ইংরেজি রিডিং শিখতে ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট রিডিং করার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে আপনার রিডিং দক্ষতা বাড়বে। দিনে একাধিক বার পড়ার চেষ্টা করুন, এবং সময়ের সাথে সাথে আপনি দেখতে পাবেন আপনার পড়ার গতি এবং বোঝার ক্ষমতা বাড়ছে।
৫. বিভিন্ন ধরনের রিডিং প্র্যাকটিস করুন
ইংরেজি রিডিং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের টেক্সট পড়ুন:
৬. শব্দ ও বাক্যাংশ রেকর্ড করুন
যখন আপনি ইংরেজি পড়েন, তখন যেকোনো নতুন শব্দ বা বাক্যাংশ মনে রাখুন। বিশেষভাবে, যে শব্দগুলি আপনি সহজে ভুলে যান, সেগুলি লিখে রাখুন। তারপর রিভিউ করুন এবং সেগুলি বারবার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
৭. পড়ার মধ্যে সঠিক উচ্চারণের চেষ্টা করুন
ইংরেজি রিডিং শেখার সময় উচ্চারণের প্রতি মনোযোগ দিন। সঠিক উচ্চারণ রপ্ত করলে বুঝতে এবং শিখতে আরও সহজ হবে। আপনি শব্দের উচ্চারণ সঠিকভাবে জানার জন্য গুগল বা ইউটিউব ব্যবহার করতে পারেন।
৮. আলoud পড়া অভ্যাস করুন
নিজের মুখে উচ্চারণ করে পড়ুন। এতে শব্দের উচ্চারণ উন্নত হয় এবং আপনি সহজে যে কোনো বই বা টেক্সট পড়তে পারবেন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি করবে।
৯. অনলাইন রিডিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন
অনলাইন বা অ্যাপসের মাধ্যমে রিডিং শেখা আরও সহজ। অনেক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ আছে যা ইংরেজি রিডিং শিখতে সাহায্য করে, যেমন:
১০. পড়ার মাধ্যমে প্র্যাকটিস করুন
ইংরেজি পড়ার সবচেয়ে ভাল উপায় হল পড়ার মাধ্যমে প্র্যাকটিস করা। প্রতিদিন কিছু না কিছু পড়ুন – সেটা হতে পারে বই, পত্রিকা, বা এমনকি ফেসবুক পোস্ট বা টুইট। যত বেশি পড়বেন, তত ভালো শিখবেন।
উদাহরণ:
সুতরাং, ইংরেজি রিডিং শিখতে:
এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনি সহজেই ইংরেজি রিডিং শিখতে পারবেন। মনে রাখবেন, প্রতিদিন একধাপ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন, ধীরে ধীরে আপনি আপনার লক্ষ্য অর্জন করবেন।
See lessতথ্য ও উপাত্তের মধ্যে পার্থক্য ?
সংজ্ঞা: উপাত্ত (Data):উপাত্ত হলো কাঁচা বা অপ্রস্তুত তথ্য যা কোন নির্দিষ্ট আঙ্গিকে সাজানো বা বিশ্লেষিত হয়নি। এটি সংখ্যায়, অক্ষরে বা চিহ্নে থাকে এবং একে একা কোন বিশেষ অর্থ বা মূল্য দেয় না। যেমন, একটি তালিকায় থাকা নম্বর বা নাম যে কোন প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই লেখা থাকলে তা শুধুমাত্র উপাত্ত। উদাহরণ: ১০, ২০, ৩০Read more
সংজ্ঞা:
উপাত্ত (Data):
উপাত্ত হলো কাঁচা বা অপ্রস্তুত তথ্য যা কোন নির্দিষ্ট আঙ্গিকে সাজানো বা বিশ্লেষিত হয়নি। এটি সংখ্যায়, অক্ষরে বা চিহ্নে থাকে এবং একে একা কোন বিশেষ অর্থ বা মূল্য দেয় না। যেমন, একটি তালিকায় থাকা নম্বর বা নাম যে কোন প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই লেখা থাকলে তা শুধুমাত্র উপাত্ত।
উদাহরণ:
তথ্য (Information):
তথ্য হলো সেই উপাত্ত যা পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা বা সাজানো হয়েছে, যাতে তা বুঝতে এবং ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। যখন উপাত্তের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সংযোগ বা অর্থ প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তা তথ্য হয়ে ওঠে। তথ্যের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় এবং এটি কার্যকরী ও ব্যবহারযোগ্য হয়।
উদাহরণ:
উদাহরণ:
উপাত্তের উদাহরণ:
ধরুন, একটি ক্লাসের ১০টি ছাত্রের নামের তালিকা: “আলম”, “রফিক”, “মোহাম্মদ”, “জুলিয়া”, “রহিম” ইত্যাদি। এগুলো কেবল নাম, কোন বিশ্লেষণ বা ব্যবহারের উপযোগী কিছু নয়। এটি কেবল উপাত্ত।
তথ্যের উদাহরণ:
যদি আমরা সেই একই তালিকার নামের সাথে ছাত্রদের গ্রেড, বয়স, এবং স্কুলের পরিসংখ্যান যুক্ত করি, যেমন “আলম – ১৫ বছর, গ্রেড ‘এ+'”, তখন তা একটি সম্পূর্ণ তথ্য, যা বুঝতে সাহায্য করে ছাত্রটির পারফরম্যান্স এবং বয়সের সম্পর্কে।
তফাৎগুলি:
তথ্য এবং উপাত্তের মধ্যে পার্থক্যের ব্যাখ্যা:
তথ্য একত্রিত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, কিন্তু উপাত্তের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয় যতক্ষণ না তা বিশ্লেষণ করা হয়।
যেমন, একটি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল যতটুকু উপাত্ত, তা যদি বিশ্লেষণ করা হয় এবং প্রতিটি ছাত্রের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হয়, তখন তা তথ্য হয়ে ওঠে।
উপাত্ত কাঁচা (Raw) থাকে এবং কোন বিশেষ কাজের জন্য সেটি বিশ্লেষণ করতে হয়। কিন্তু তথ্য প্রক্রিয়াজাত এবং সাজানো হয়ে থাকে, যেটি সরাসরি কাজে আসে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে:
ধরুন, আপনি বাংলাদেশের একটি স্কুলে থাকেন। বিদ্যালয়ে একটি বার্ষিক পরিসংখ্যান জরিপ হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের সংখ্যা, তাদের বয়স, গ্রেড, এবং অন্যান্য বিষয়গুলো উপাত্ত হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে, এই উপাত্ত বিশ্লেষণ করে স্কুলের সার্বিক পারফরম্যান্স, গড় নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যা স্কুলের উন্নতির জন্য উপকারী। এখানে উপাত্ত ছিল কাঁচা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা তথ্যতে পরিণত হয়।
See lessত্বরণ ও মন্দন এর মধ্যে পার্থক্য কি?
সংজ্ঞা: ত্বরণ (Acceleration):ত্বরণ হলো সেই গতি পরিবর্তন যা কোনো বস্তুর গতিতে বৃদ্ধি ঘটায়। যখন কোনো বস্তুর গতি বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে ত্বরণ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি গাড়ি যখন থেমে থেকে দ্রুত চলতে শুরু করে, তখন সেটি ত্বরণ পাচ্ছে। মন্দন (Deceleration):মন্দন হলো সেই গতি পরিবর্তন যা কোনো বস্তুর গতির হ্রাসRead more
সংজ্ঞা:
ত্বরণ (Acceleration):
ত্বরণ হলো সেই গতি পরিবর্তন যা কোনো বস্তুর গতিতে বৃদ্ধি ঘটায়। যখন কোনো বস্তুর গতি বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে ত্বরণ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি গাড়ি যখন থেমে থেকে দ্রুত চলতে শুরু করে, তখন সেটি ত্বরণ পাচ্ছে।
মন্দন (Deceleration):
মন্দন হলো সেই গতি পরিবর্তন যা কোনো বস্তুর গতির হ্রাস ঘটায়। যখন কোনো বস্তুর গতি কমে, তখন তাকে মন্দন বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি গাড়ি দ্রুত চলতে চলতে থেমে যায়, তাহলে সেটি মন্দন পাচ্ছে।
উদাহরণ:
ত্বরণের উদাহরণ: ধরুন, একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে এবং চালক গ্যাস প্যাডেল চেপে দেয়। তখন গাড়ির গতি বাড়তে শুরু করে। এতে গাড়ি ত্বরণ পাচ্ছে। গাড়ির গতির পরিবর্তন হলো দ্রুততর হওয়ার দিকে।
মন্দনের উদাহরণ: যদি গাড়িটি খুব দ্রুত চলতে চলতে ব্রেক লাগিয়ে দেয়, তখন গাড়ির গতি কমতে থাকে। এটি হলো মন্দন, যেখানে গতি ধীরে ধীরে কমে আসে।
পার্থক্যগুলোর আরও ব্যাখ্যা:
ত্বরণের প্রভাব: ত্বরণের মাধ্যমে কোনো বস্তুর গতি যত বেশি বৃদ্ধি পায়, তত বেশি শক্তি লাগে এবং এটি অবস্থান দ্রুত পরিবর্তন করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ট্রেন দ্রুত চলে, তাহলে ত্বরণের মাধ্যমে তার গতি দ্রুত বাড়ে।
মন্দনের প্রভাব: মন্দনের মাধ্যমে বস্তুর গতি ধীরে ধীরে কমে আসে এবং কখনও কখনও এটি সম্পূর্ণ থেমে যায়। যেমন, একটি বাস ব্রেক মারলে তার গতি ধীরে ধীরে কমে যায় এবং তারপর থেমে যায়।
ত্বরণ এবং মন্দন এর মধ্যে পার্থক্য:
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ত্বরণ এবং মন্দন সম্পর্কে জ্ঞান থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, যানবাহন চালনার ক্ষেত্রে এই ধারণাগুলো ভালোভাবে জানা থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়:
আশা করি, এই তথ্যগুলো তোমাদের ত্বরণ এবং মন্দন সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।
See lessপরিবাহী অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী পার্থক্য কি কি?
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা বিভিন্ন ধরনের উপকরণ যেমন, তামা, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি ব্যবহার করি। তবে, জানেন কি যে এই উপকরণগুলোর মধ্যে কিছু জিনিস বিদ্যুৎ বা তাপ পরিবহন করতে সক্ষম, কিছু জিনিস তা করতে পারে না, আবার কিছু জিনিস সীমিতভাবে পরিবহন করতে পারে? এর পেছনে যে বৈজ্ঞানিক বিষয়টি কাজ করে তা হলো পরিবাRead more
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা বিভিন্ন ধরনের উপকরণ যেমন, তামা, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি ব্যবহার করি। তবে, জানেন কি যে এই উপকরণগুলোর মধ্যে কিছু জিনিস বিদ্যুৎ বা তাপ পরিবহন করতে সক্ষম, কিছু জিনিস তা করতে পারে না, আবার কিছু জিনিস সীমিতভাবে পরিবহন করতে পারে? এর পেছনে যে বৈজ্ঞানিক বিষয়টি কাজ করে তা হলো পরিবাহী, অপরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহী উপকরণ। আসুন, আমরা বুঝে নিই এগুলোর সংজ্ঞা এবং পার্থক্য।
১. পরিবাহী (Conductor) কী?
পরিবাহী উপকরণ হল এমন এক ধরনের পদার্থ, যা তাপ বা বিদ্যুৎ সহজে পরিবহন করতে সক্ষম। সাধারণত, এই ধরনের পদার্থের মধ্যে আণবিক গঠন এমন থাকে, যাতে তারা তাপ বা বিদ্যুৎকে দ্রুত প্রবাহিত করতে পারে। যেমন—তামা, লোহা, সিলভার, সোনা, আলুমিনিয়াম ইত্যাদি।
উদাহরণ:
তামা একটি জনপ্রিয় পরিবাহী উপকরণ। যখন আপনি তামার তার দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহন করেন, তখন বিদ্যুৎ সহজেই প্রবাহিত হয়।
২. অপরিবাহী (Insulator) কী?
অপরিবাহী উপকরণ হলো এমন এক ধরনের পদার্থ, যা তাপ বা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় না। এই উপকরণগুলো সাধারণত বিদ্যুৎ বা তাপকে আটকে রাখতে সাহায্য করে। যেমন—প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।
উদাহরণ:
রাবার একটি অপরিবাহী উপকরণ। রাবারের প্রলেপযুক্ত তারে হাত দিলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না, কারণ রাবার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় না।
৩. অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) কী?
অর্ধপরিবাহী উপকরণ এমন একটি পদার্থ, যা সাধারণত বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, কিন্তু নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন—তাপমাত্রা বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে) এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়াম হল অর্ধপরিবাহী উপকরণের সাধারণ উদাহরণ। আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে যেমন—ট্রানজিস্টর, ডায়োড, ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী উপকরণ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী উপকরণ। এটি সাধারণত বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, তবে যদি এতে কিছু তাপ দেওয়া হয় বা অন্যান্য উপকরণ যোগ করা হয়, তবে এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম হয়।
পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী পার্থক্য
নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহীর মধ্যে পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:
(Semiconductor)
উপসংহার
তাহলে, আপনি এখন সহজেই বুঝতে পারছেন যে, পরিবাহী, অপরিবাহী, এবং অর্ধপরিবাহী উপকরণগুলো একে অপর থেকে কতটা আলাদা। পরিবাহী উপকরণ তাপ বা বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত করতে পারে, যেমন তামা, যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। অপরিবাহী উপকরণ, যেমন রাবার এবং কাঠ, বিদ্যুৎ বা তাপ প্রবাহিত হতে দেয় না, তাই সেগুলো নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। আবার অর্ধপরিবাহী উপকরণ, যেমন সিলিকন, বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে নির্দিষ্ট শর্তে, এবং এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আপনার দৈনন্দিন জীবনে এই উপকরণগুলোর ব্যবহার আপনাকে বিদ্যুৎ ও তাপের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এবং এটি আমাদের প্রযুক্তির উন্নতি ও নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
See lessফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার পার্থক্য কি কি ?
প্রকৃতির বিভিন্ন শক্তির উৎস ও অণু-প্রণালীর মধ্যে আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া দেখতে পাই, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ফিশন (Fission) এবং ফিউশন (Fusion)। এগুলোর মাধ্যমে আমরা শক্তি উৎপন্ন করি, কিন্তু এগুলোর মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। আসুন, প্রথমে এগুলোর সংজ্ঞাRead more
প্রকৃতির বিভিন্ন শক্তির উৎস ও অণু-প্রণালীর মধ্যে আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া দেখতে পাই, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। এই দুটি প্রক্রিয়া হলো ফিশন (Fission) এবং ফিউশন (Fusion)। এগুলোর মাধ্যমে আমরা শক্তি উৎপন্ন করি, কিন্তু এগুলোর মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। আসুন, প্রথমে এগুলোর সংজ্ঞা বুঝে নিই।
১. ফিশন (Fission) কী?
ফিশন একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া, যেখানে একটি ভারী পরমাণু দুটি বা তার অধিক হালকা পরমাণুতে ভেঙে যায়। এই প্রক্রিয়ায় খুব শক্তিশালী শক্তির মুক্তি ঘটে। সাধারণত ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের মতো ভারী পরমাণু ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিশন ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি পারমাণবিক চুল্লি বা পারমাণবিক বোমার মতো ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম পরমাণু ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুটি হালকা পরমাণুতে ভেঙে গিয়ে শক্তি উৎপন্ন করে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
২. ফিউশন (Fusion) কী?
ফিউশন হলো একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া, যেখানে দুটি হালকা পরমাণু একত্রিত হয়ে একটি ভারী পরমাণু গঠন করে। এই প্রক্রিয়ায় অনেক বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়, যা সূর্য এবং অন্যান্য তারায় ঘটে। ফিউশন প্রক্রিয়া পৃথিবীতে আমরা এখনও শক্তির উৎস হিসেবে পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারিনি, তবে এটি ভবিষ্যতে শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস হতে পারে।
উদাহরণ:
সূর্যরশ্মি তৈরির জন্য সূর্যের কেন্দ্রীয় অংশে হাইড্রোজেন পরমাণু ফিউশন প্রক্রিয়ায় একত্রিত হয়ে হিলিয়াম পরমাণু তৈরি করে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি মুক্তি দেয়।
ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার পার্থক্য
নিচে টেবিলের মাধ্যমে ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:
যব ও গমের পার্থক্য কি ?
আমরা যখন খাবারের কথা ভাবি, তখন যব ও গম এই দুইটি শস্য খুবই পরিচিত নাম। কিন্তু এই দুইটির মধ্যে কি পার্থক্য আছে? কেন আমরা খাবারের ক্ষেত্রে কখনো যব, কখনো গম ব্যবহার করি? আসুন, প্রথমে বুঝে নিই এই দুটি শস্যের সংজ্ঞা। ১. যব (Barley) কী? যব হল একটি ধানজাতীয় শস্য, যা সাধারণত ঠান্ডা অঞ্চলে ভালো জন্মায়। এটি একRead more
আমরা যখন খাবারের কথা ভাবি, তখন যব ও গম এই দুইটি শস্য খুবই পরিচিত নাম। কিন্তু এই দুইটির মধ্যে কি পার্থক্য আছে? কেন আমরা খাবারের ক্ষেত্রে কখনো যব, কখনো গম ব্যবহার করি? আসুন, প্রথমে বুঝে নিই এই দুটি শস্যের সংজ্ঞা।
১. যব (Barley) কী?
যব হল একটি ধানজাতীয় শস্য, যা সাধারণত ঠান্ডা অঞ্চলে ভালো জন্মায়। এটি একটি শক্তিশালী শস্য, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যবের গা dark ় বাদামী বা সোনালী রঙের দানাপালা থাকে এবং এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান যেমন ফাইবার, প্রোটিন এবং মিনারেলস পাওয়া যায়। যবের খাদ্যগুণ বেশ ভাল, এবং এটি অনেক ধরনের খাবারে ব্যবহার করা হয়, যেমন: স্যুপ, রুটি, এবং সিরিয়াল।
উদাহরণ:
কৃষকরা যবের চাষ করলেও, আমাদের দেশে সাধারণত এটি স্যুপ বা খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ঠান্ডা মাসগুলোতে।
২. গম (Wheat) কী?
গম হল পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য এবং এটি পৃথিবীজুড়ে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। গমের দানা থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হয়, যেমন রুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট ইত্যাদি। গমের দানা সাধারণত হলুদ রঙের এবং এর শস্য থেকে মূলত কাঁচামাল হিসেবে আটা তৈরি করা হয়। গম খাদ্যশস্য হিসেবে পৃথিবীজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় এবং এটি প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস।
উদাহরণ:
বিকাশ গমের আটা দিয়ে প্রতিদিন রুটি বানায় এবং এটি তার পরিবারের প্রধান খাবার।
যব ও গমের পার্থক্য
নিচে টেবিলের মাধ্যমে যব ও গমের পার্থক্যগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:
উপসংহার
এখন আপনি বুঝতে পারছেন যে, যব এবং গম একে অপর থেকে কতটা আলাদা। যব প্রধানত ঠান্ডা অঞ্চলে ভালো জন্মে এবং এটি শক্তিশালী, পুষ্টিকর খাবারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে গম পৃথিবীজুড়ে সব ধরনের রুটি এবং অন্যান্য মিষ্টি খাবারের জন্য ব্যবহৃত হয়। যবের মধ্যে বেশি ফাইবার এবং প্রোটিন থাকে, কিন্তু গমের মধ্যে শক্তির উৎস বেশি থাকে, যা দৈনন্দিন খাবারের জন্য প্রয়োজনীয়।
বাংলাদেশে আমরা সাধারণত গমের রুটি বেশি খাই, তবে যবও ঠান্ডা মৌসুমে নানা ধরনের খাবারে ব্যবহৃত হয়। এক কথায়, যব ও গম—প্রতিটি শস্যেরই নিজস্ব গুরুত্ব এবং তারা আমাদের খাদ্য তালিকায় আলাদা ভূমিকা পালন করে।
See less