ফৌজদারি কার্যবিধি ১৫১ ধারা কি ?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা পুলিশকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে যাতে তারা কোনো ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে সেই ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধ করতে যাচ্ছে যা জনশৃঙ্খলা বা জনশান্তির জন্য হুমকি স্বরূপ হতে পারে। এই ধারা মূলত অপরাধের আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
এই ধারা কিভাবে গঠিত হয়েছিল?
১৮৯৮-এর ১৫১ ধারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিধান যা বাংলাদেশে জনশান্তি এবং শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই ধারা ব্রিটিশ আমলে গঠিত হয়েছিল এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন সময়ের জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বিভিন্ন সংশোধনের মাধ্যমে বর্তমান আকারে এসেছে, যেখানে জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং শান্তির দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে।
এই ধারায় কোন ধরনের শাস্তি প্রাপ্ত হতে হয়?
১৫১ ধারার অধীনে গ্রেফতারের পর, যদি আদালত মনে করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে, তাহলে তাকে শাস্তি হিসেবে জেল, জরিমানা, বা উভয় দণ্ডিত করা যেতে পারে। তবে এই ধারা মূলত প্রতিরোধমূলক হওয়ায়, এটি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি শাস্তি প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
এই ধারায় মামলা করার প্রক্রিয়া
১. প্রমাণ সংগ্রহ: প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সত্যিই অপরাধ করতে যাচ্ছিল কিনা। এজন্য পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকতে হবে।
২. স্থানীয় থানায় অভিযোগ: এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
৩. আদালতে প্রক্রিয়া: আদালতে অভিযুক্তকে হাজির করতে হয় এবং সেখানেই প্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তি বা মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
থানার আওতায় ব্যবস্থা
এই ধারার আওতায় থানায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কিছু সময়ের জন্য আটক রাখা হয়। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী আটক নয়, এবং আদালত কর্তৃক শাস্তি বা মুক্তির সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত আটক রাখা হয়।