144 ধারা মামলা কি ?
Share
আমাদের সাথে থাকুন এবং কোশ্চেন এবং জ্ঞান বিনিময় এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।
আপনার পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলে এইখান থেকে রিসেট করে নিন । যে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
১৪৪ ধারা হলো আমাদের দেশের ফৌজদারি কার্যবিধির একটি ধারা। এই ধারাটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শান্তি বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো এলাকায় অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, তখন প্রশাসন এই ধারা জারি করে। এই ধারা জারি হলে, ওই এলাকার মানুষেরা কিছু নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য হয়। সম্পূর্ণ দেশের উপরে, নির্দিষ্ট কোন জেলায়, নির্দিষ্ট কোন জায়গায় এই আইন প্রয়োগ করা যেতে পারে যেখানে চারজনের বেশি জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয় ।
এই ধারার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় মানুষের সমাবেশ, চলাফেরা বা কার্যক্রম সীমিত করতে পারেন। এটি সাধারণত জরুরি অবস্থায় জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়।
এই ধারা কিভাবে গঠিত হয়েছিল?
১৮৯৮ সালে গঠিত ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) অন্তর্ভুক্ত ১৪৪ ধারা জনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক একটি প্রাচীন আইন। ব্রিটিশ শাসনামলে এই ধারা তৈরি করা হয় এবং এখনো তা কার্যকর রয়েছে। সময়ের সাথে সাথে এটি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
১৪৪ ধারা অমান্য করলে যে শাস্তি হতে পারে :
এই ধারাটি মূলত একটি আদেশ। যদি কেউ এই আদেশ অমান্য করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে। শাস্তি হিসেবে জরিমানা বা কারাদণ্ড হতে পারে।
১৪৪ ধারার বিরুদ্ধে কেউ যদি মামলা করতে চায় তাহলে কোন কোন বিষয়গুলো লক্ষ্য করতে হবে?
সাধারণত, এই ধারায় মামলা করা হয় না। কারণ এই ধারাটি একটি আদেশ, এবং আদেশ অমান্য করার জন্য মামলা করা হয়। তবে, যদি আপনি মনে করেন যে এই ধারা অযথা জারি করা হয়েছে এবং আপনার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তাহলে আপনি আদালতে আপিল করতে পারেন।
১৪৪ ধারা জারির সময় কী করা যাবে না?
১৪৪ ধারা কেন জারি হয়?
মনে রাখবেন: